ঢাকারবিবার , ৩ মে ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

লক্ষ্মীপুরে দাফনের ১৪ মাস পর কৃষক দল নেতার লাশ উত্তোলন

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
মে ৩, ২০২৬ ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মো. মাসুদ রানা মনি, লক্ষ্মীপুর:

লক্ষ্মীপুরে দাফনের দীর্ঘ ১৪ মাস পর আদালতের নির্দেশে শাহাদাত হোসেন পরাশ নামে এক কৃষক দল নেতার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

​রোববার (৩ মে) বেলা ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার তেরবেকি এলাকার পারিবারিক কবরস্থান থেকে লাশটি উত্তোলন করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মুহাম্মদ নাহিদ শেখ সুমন ও সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার আরমান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

​নিহত শাহাদাত হোসেন পরাশ জেলা কৃষক দলের সাবেক সহ-সভাপতি ও সমসেরাবাদ এলাকার মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট

​নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ শেখ সুমন জানান, ২০২৫ সালের ৭ মার্চ চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ মোস্তানগর এলাকায় পরাশের মৃত্যু হয়। সে সময় ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরদিন লক্ষ্মীপুরে তার মরদেহ দাফন করা হয়েছিল। তবে একে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ দাবি করে নিহতের স্ত্রী শেফালি বেগম শেপু ওই বছরের ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উত্তোলনের নির্দেশ প্রদান করেন।

​ম্যাজিস্ট্রেট আরও জানান, লাশ উত্তোলন করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পুনরায় দাফন করা হবে।

স্ত্রীর অভিযোগ

​বাদী শেফালি বেগম শেপু অভিযোগ করেন, ওমান প্রবাসী পরাশ দেশে ফিরে একটি মাটি খনন যন্ত্র (ভেকু) কেনার পরিকল্পনা করেছিলেন। ঘটনার দিন অভিযুক্ত বন্ধু মোহনের সঙ্গে ১০ লাখ টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। পরে খবর পাওয়া যায়, সড়ক দুর্ঘটনায় পরাশ মারা গেছেন।

​শেফালি বেগম আরও বলেন:

​“লাশ উদ্ধারের সময় পেটে ছুরির আঘাতের চিহ্ন দেখা গিয়েছিল। তখন পুলিশ মামলার পরামর্শ দিলেও পরিস্থিতির কারণে দাফন সম্পন্ন হয়। পরে জোরারগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে তারা আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন। মূলত ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতেই মোহন আমার স্বামীকে হত্যা করেছে।”

 

​পুলিশ ও আদালত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Don`t copy text!