ঢাকারবিবার , ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

লক্ষ্মীপুরে চাঞ্চল্যকর শ্রমিক মিন্টু হত্যা মামলা: ২ প্রধান আসামি গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
এপ্রিল ১৯, ২০২৬ ৭:২৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মো. মাসুদ রানা মনি, লক্ষ্মীপুর :

​লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ইটভাটা শ্রমিক আব্দুর রহমান ওরফে মিন্টু (৫০) হত্যার ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় নিহত মিন্টুর ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।

​ঘটনার প্রেক্ষাপট

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে ১৮ এপ্রিল দুপুর পৌনে ১টার মধ্যে যেকোনো সময়ে রামগঞ্জ উপজেলার ২নং নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ডোমনন্দী এলাকায় শাহজাহান পাটোয়ারীর ধানক্ষেতে মিন্টুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ঘাতকরা ধানক্ষেতেই ফেলে রেখে যায়। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) পুলিশ ধানক্ষেত থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪২) বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

​পুলিশের অভিযান ও গ্রেফতার

​মামলা দায়েরের পর রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে একটি বিশেষ আভিযানিক দল গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) রায়পুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় রায়পুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন:

১. মো. মোস্তফা ওরফে হৃদয় (২৯)

২. মো. সুমন (২৩)

উভয়ই নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানার পূর্ব চরমটুয়া গ্রামের বাসিন্দা।

​উদ্ধারকৃত আলামত

​গ্রেফতারের সময় আসামিদের তল্লাশি করে হৃদয়ের কাছ থেকে নিহতের ব্যবহৃত একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এ-১৫ অ্যান্ড্রয়েড ফোন এবং সুমনের কাছ থেকে একটি মাইক্রোনেক্স বাটন ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ আলামতগুলো জব্দ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

​পুলিশের বক্তব্য

​রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, গ্রেফতারকৃতদের ইতোমধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও নেপথ্যের রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Don`t copy text!