ঢাকামঙ্গলবার , ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

র‍্যাব-৯ ও র‍্যাব-১৪ এর যৌথ অভিযানে ‘শীষ মিয়া’ হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ ১২:২২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

শফিকুল ইসলাম শফিক,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় শীষ মিয়াকে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। র‍্যাব-৯ ও র‍্যাব-১৪ এর যৌথ অভিযানে তাকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ এবং র‍্যাব-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালি থানাধীন সানকিপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা থানার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর পলাতক আসামি বাবুল মিয়া (৪৫) গ্রেফতার হন। তিনি ধর্মপাশা উপজেলার জিংগীগড়া গ্রামের মৃত আমির উদ্দিনের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত বাবুল মিয়া ধর্মপাশা থানার মামলার অন্যতম প্রধান আসামি।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নিহত শীষ মিয়া ধর্মপাশা উপজেলার লেঙ্গুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা, জুয়ার বোর্ড পরিচালনাসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে শীষ মিয়া গাছতলা বাজার থেকে তার ভাড়াকৃত দোকানের ভাড়া ও অগ্রিম বাবদ মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ির পথে রওনা হন। পথে লেঙ্গুর দাশপাড়া এলাকায় অভিযুক্তদের অসামাজিক কার্যকলাপে বাধা দিলে একপর্যায়ে তারা শীষ মিয়াকে জোরপূর্বক অপহরণ করে এবং তার সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

পরবর্তীতে ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে দাশপাড়া মসজিদের পাশের একটি পুকুরে ভাসমান অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের ভাই লাশটি শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে ধর্মপাশা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর থেকে আসামিদের গ্রেফতারে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধান পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়। উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একই মামলার এজাহারনামীয় আরও তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছিল র‍্যাব-৯।

র‍্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে র‍্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Don`t copy text!