শফিকুল ইসলাম শফিক, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
ঈদ-উল-আজহা পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনসংযোগ জোরদার করার লক্ষ্যে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল চার দিনের সফর শুরু করেছেন। গত ৩১ মে শুরু হওয়া এই সফর আগামী ৩ জুন পর্যন্ত চলবে। সফরকালে তিনি জামালগঞ্জ, তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও নৌপথে নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী বাবরুল হাসান বাবলু স্বাক্ষরিত সফরসূচি অনুযায়ী, দলীয় নেতাকর্মী, শিক্ষক, সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে এই সফর কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সাংসদের সফরকে ঘিরে তিন উপজেলার তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সফরসূচি একনজরে:
- ৩১ মে (রবিবার): সফরের প্রথম দিনে তিনি জামালগঞ্জ উপজেলার উজ্জলপুর গ্রামে আলতাফ হোসেনের পুত্রের বৌভাত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পরে তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর বাজারে দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। রাতে তিনি শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোশাহিদ আলম তাহেরের বাসভবনে অবস্থান করেন।
- ১ জুন (সোমবার): দ্বিতীয় দিনে সকাল ১০টায় শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের কল্যাণগাঁও বাজারে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। দুপুরে বিএনপি নেতা শামছু মেঘার বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ শেষে বিকাল ৪টায় শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের নতুন বাজারে এবং সন্ধ্যা ৬টায় বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের কাউকান্দি বাজারে জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
- ২ জুন (মঙ্গলবার): তৃতীয় দিন সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বংশীকুণ্ডা কলেজ ও বংশীকুণ্ডা মমিন উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে সংসদ সদস্যকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে। এরপর বিকাল ৫টায় তাহিরপুর উপজেলার লামাগাঁও বাজারে দলীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। রাতে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা সদরে অবস্থান করবেন।
- ৩ জুন (বুধবার): সফরের শেষ দিন দুপুর ১২টায় মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের মহিষখলা বাজারে দলীয় নেতাকর্মী ও জনসাধারণের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে চার দিনের সফর কর্মসূচি সমাপ্ত করবেন।
সংসদ সদস্যের এই সফরসঙ্গী হিসেবে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঈদের পরপরই সাংসদের এই জনসংযোগ সফর তৃণমূলের সঙ্গে দলীয় সংযোগ পুনর্স্থাপন এবং সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

