ঢাকাসোমবার , ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তিস্তার গর্ভে বিলীন হচ্ছে পলাশপুর: বসতভিটা রক্ষায় ভাঙন কবলিতদের বিশাল মানববন্ধন

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
এপ্রিল ২৭, ২০২৬ ৩:৫৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ হামিদুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

​কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা নদীর অব্যাহত ভাঙনে দিশেহারা এলাকাবাসী। বসতভিটা ও আবাদি জমি হারানো ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং নাজিমখান ইউনিয়নের পলাশপুর গ্রাম রক্ষার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নদীপাড়ের মানুষ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে পলাশপুর এলাকায় এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

যৌথ আর্তনাদ:

তীব্র রোদ উপেক্ষা করে তিস্তার তীরবর্তী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন ভাঙনকবলিত শত শত নারী-পুরুষসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাঁদের দাবি একটাই— “ত্রাণ চাই না, স্থায়ী বাঁধ চাই; মাথা গোঁজার ঠাঁই রক্ষা চাই।”

সমাবেশে বক্তাদের বক্তব্য:

সংগঠনের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৬ সাল থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা কেবল আশ্বাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। নদীশাসনে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না থাকায় প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, “তিস্তা নদী ভারতের সিকিম থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের পাঁচটি জেলার ওপর দিয়ে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে। এই বিস্তীর্ণ জনপদের প্রায় দুই লাখ মানুষ প্রতি বছর সর্বনাশা ভাঙনের শিকার হন। অবিলম্বে কার্যকর নদীশাসন প্রকল্প গ্রহণ না করলে মানচিত্র থেকে পলাশপুরের অস্তিত্ব মুছে যাবে।”

অন্যান্য বক্তা:

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শাহ আলম, নাজিমখান ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বাদশা বক্সী, সদস্য সচিব আতিকুর রহমান আতিক, অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন ও ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম। এছাড়াও ভাঙনে সর্বস্ব হারানো মোকসেদ আলী ও মাহবুবুর রহমান তাঁদের করুণ পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন।

দাবি ও আল্টিমেটাম:

বক্তারা সাফ জানিয়ে দেন, পলাশপুর গ্রাম রক্ষায় দ্রুত জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। পাশাপাশি ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তাঁরা। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন এলাকাবাসী।

Don`t copy text!