ঢাকাসোমবার , ১৫ জুন ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিশু ধর্ষণের অভিযোগ: হাতিয়ায় পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
জুন ১৫, ২০২৬ ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ জাকের হোসেন, হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি: নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) খোরশেদ আলমকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে নোয়াখালী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

​শনিবার (১৩ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন।

​ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দি ও পারিবারিক অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা ও ভাই দীর্ঘদিন ধরে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করতেন। সেই সুবাদে শিশুটিরও তদন্ত কেন্দ্রে নিয়মিত যাতায়াত ছিল।

​অভিযোগে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বিভিন্ন সময় নিজের বাসায় ডেকে নিতেন। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগীর পরিবার দাবি করেছে।

​পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে হুমকি দিতেন এবং বিভিন্ন সময় টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখাতেন। পরিবারের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই এতদিন ঘটনাটি গোপন রাখা হয়েছিল।

​স্থানীয়রা জানান, এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

​অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) খোরশেদ আলম বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। জাহাজমারায় কর্মরত এক এএসআইয়ের অনিয়মের কারণে তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় তিনি আমার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং আমার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণও করেছেন।”

​তিনি আরও বলেন, “যে শিশুটিকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, সে ওই এএসআইয়ের বাসায় কাজ করত। তাই আমি মনে করি, এটি পরিকল্পিতভাবে আমার সম্মানহানি ও অপপ্রচার চালানোর একটি অংশ। সুষ্ঠু তদন্ত হলেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।”

​এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিবেচনায় প্রাথমিকভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Don`t copy text!