হাজীগঞ্জ উপজেলায় রোববার দিবাগত রাতে বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মধ্য বড়কুল ২নংওয়ার্ড তোরাবালী বেপারী বাড়ির প্রবাসী সুমনের ঘরের এককোণ থেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
এসময় আগুনের লাল শিখা ছড়িয়ে পড়ে চার পাশে, পুড়ে যায় ওমান প্রবাসী হানিফ,টাইলস মিস্ত্রি আরিফ ও হতদরিদ্র কৃষক মোহাম্মদ মিয়ার ঘরটি।আগুনে পুড়ে ক্ষতি হয় প্রায় ১৫ লাখ টাকার সম্পদ।
আগুন দেখে কোনোমতে নিজের জীবন বাঁচাতে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন তারা।তার মধ্যেই পুড়ে গেছে কুয়েত প্রবাসী সুমন,প্রবাসী হানিফ, টাইলস্ মিস্ত্রী আরিফ ও কৃষক মোহাম্মদ মিয়ার ঘরে সহ ঘরে থাকা সব কিছু।
এসময় ভয়াবহ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে রাতে নিজের সব কিছু হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাহেরা বেগম।অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত টাইলস্ মিস্ত্রী আরিফ জানান, তিন ভাইয়ের পাঁচ লাখ টাকার লোন আছে। ওমান প্রবাসী মেঝো ভাই হানিফ টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছে না অসুস্থ।
অসুস্থ শরীর নিয়ে প্রবাসের কষ্টের জীবন যাপন করছেন
তিনি কাজ করতে পারছেনা প্রবাসে।এর মধ্যেই অগ্নিকাণ্ডে পরিবারটি অসহায়।
এদিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট, হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বে থাকা স্টেশন অফিসার সাজেদুল করিম জোয়াদ্দার দৈনিক বাংলার অধিকার কে জানান- ঘরের বাহিরে মিটার ও মিটারের তার থেকে এই আগুনের সূত্রপাত ঘটে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ও এই কথা জানান।
দুই ঘন্টা মতো চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
ইউপি সদস্য আতিকুর রহমান ও প্রত্যক্ষদশীরা দৈনিক বাংলার অধিকার কে ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন।
এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং শর্ট সার্কিটের কারণেই মূলত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ,ক্ষতিগ্রস্ত নিঃস্ব পরিবারের মাঝে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে ইউএনও, জেলা প্রশাসক সহ সংসদ সদস্য মেজর অবঃ রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের কাছে অনুরোধ জানান।
অপর দিকে ক্ষতিগ্রস্ত সুমন, হানিফ ও রাজমিস্ত্রি আরিফের মা,স্ত্রী,সন্তানরা মিলে ১৩ সদস্যের পরিবারের এমন অবস্থা যে দুপুরে একবেলা খাবার ও গোসল করে পরনের কাপড় পরিবর্তন করার মতো অবস্থা নেই, এখন একমাত্র আশা ভরসা তাদের সকলের সহযোগিতা।

