ঢাকামঙ্গলবার , ৪ আগস্ট ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উল্টো ক্ষতিগ্রস্ত নারীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার!রায়পুরে মোবাইলে বিয়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ

প্রতিবেদক
majedur
আগস্ট ৪, ২০২৬ ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মো: আবদুল কাদের, রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বিয়ের নামে প্রতারণা এবং হুন্ডি ব্যবসার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার। মঙ্গলবার উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝি বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী ফারুক মাঝি বলেন, প্রায় চার বছর আগে তার মেয়ে ফাতেমা আক্তার লিপির সঙ্গে মুঠোফোনে রাখালিয়া কাজী বাড়ির সিরাজ কাজীর ছেলে ইয়াছিন আরাফাত জুমানের বিয়ে হয়। সে সময় বলা হয়েছিল, বিয়ের তিন মাস পর ইয়াছিন বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মেয়েকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাবেন।

পরে ইয়াছিন বিভিন্ন সময়ে ইকামা না থাকার অজুহাতে দেশে ফেরা পিছিয়ে দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ইয়াছিনের ইকামা করার জন্য তিনি দেড় লাখ টাকা দেন। কিন্তু এরপরও দীর্ঘ প্রায় চার বছর কেটে গেলেও ইয়াছিন দেশে ফেরেননি।
ফারুক মাঝির দাবি, পরে ইয়াছিনের বোন জোসনা বেগম তাদের জানান, তার ভাই কবে দেশে ফিরবেন, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই তারা যেন মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ইয়াছিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনিও একই কথা জানান। এরপর তারা মেয়ের অন্যত্র বিয়ে দেন।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি ইয়াছিন আরাফাত জুমান ও তার পরিবারের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করছেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। প্রবাসে অবস্থানকালে ইয়াছিন আরাফাত জুমান হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি তাদের মোবাইল নম্বরে টাকা পাঠিয়ে অন্য একটি নম্বরে সেই টাকা পৌঁছে দিতে বলতেন। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, “তারা যে ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। বরং ইয়াছিনের ইকামা করার জন্য দেওয়া দেড় লাখ টাকা এখনও আমাদের পাওনা রয়েছে।” ভুক্তভোগী ফাতেমা আক্তার লিপি বলেন, “আমার জীবনের চারটি বছর ইয়াছিন নষ্ট করেছে। আমার পরিবার তার অপেক্ষায় ছিল। পরে তাদের সম্মতিতেই অন্যত্র আমার বিয়ে দেওয়া হয়। এখন হঠাৎ করে আমার সংসার নষ্ট করার উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।” সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Don`t copy text!