ঢাকারবিবার , ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কুড়িগ্রামে ১০টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৯

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
এপ্রিল ১৯, ২০২৬ ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :

​কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১০টি চোরাই মোটরসাইকেল।

ঘটনার প্রেক্ষাপট:

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ সালের মধ্যে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কোর্ট চত্বর, নিউরন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সদর হাসপাতাল এলাকা ও জিয়া বাজারসহ বিভিন্ন জনবহুল স্থান থেকে বেশ কিছু মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা দায়ের করলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।

অভিযান ও গ্রেপ্তার:

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি (পিপিএম)-এর দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মাসুদ রানার তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। তদন্তকারী দল সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে চোর চক্রটিকে শনাক্ত করে। প্রথমে গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকা থেকে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লালমনিরহাট, উলিপুর, নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৭ জনসহ মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চক্রের কার্যপদ্ধতি:

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, তারা দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগর থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে কম দামে চক্রের অন্য সদস্যদের কাছে পৌঁছে দিত। এরপর সেগুলোর ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সাধারণ মানুষের কাছে চড়া দামে বিক্রি করা হতো।

মোটরসাইকেল হস্তান্তর:

উদ্ধারকৃত ১০টি মোটরসাইকেলের মধ্যে ২টির মালিকানা নিশ্চিত হওয়ায় তা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একটি মোটরসাইকেল বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হেফাজতে রয়েছে, যা আদালতের নির্দেশে মালিককে ফেরত দেওয়া হবে। অবশিষ্ট ৭টি মোটরসাইকেল থানা হেফাজতে রয়েছে এবং সেগুলোর মালিকানা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে।

আইনি ব্যবস্থা:

এই চুরির ঘটনায় কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও রাজারহাট থানায় মোট ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে কয়েকজন ইতিমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

​কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধ দমনে জেলাজুড়ে এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Don`t copy text!