ঢাকাবুধবার , ৭ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পালাখাল হযরত ওমর ফারুক (রা.) জামে মসজিদে ১০ম ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল সম্পন্ন

প্রতিবেদক
majedur
জানুয়ারি ৭, ২০২৬ ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ মাসুদ রানা,কচুয়াঃ
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল পশ্চিম পাড়া) যেন মঙ্গলবার এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবেশে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। বাদ আসর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ইমানি আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে হযরত ওমর ফারুক (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ। মসজিদ ও ছাত্রদের দস্তারবন্দী উপলক্ষে আয়োজিত ১০ম ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক পবিত্র মিলনমেলায়।
মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন উত্তর নয়াকান্দি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি, একুশে ইয়াং ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা, চট্টগ্রাম এলজিইডির জেলা পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা অফিসার এবং জামেয়া আহম্মাদিয়া সফিবাদ মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা প্রফেসর মোঃ মিজান সরকার। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন,
“দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ চাইলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর আদেশ-নিষেধ মেনে চলতেই হবে। নবীজীর দেখানো পথেই রয়েছে প্রকৃত সফলতা।”
তিনি আরও বলেন, মুসলমান হিসেবে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান মেনে চলাই আমাদের মূল দায়িত্ব।
মাহফিলের প্রধান মেহমান হিসেবে হৃদয়ছোঁয়া বয়ান রাখেন বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ ও মুফাসসিরে কোরআন আলহাজ্ব মাওলানা নেছার আহমেদ চাঁদপুরী। তাঁর প্রাঞ্জল বক্তব্যে কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনার গুরুত্ব ফুটে ওঠে।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাইছারা জামিয়া ইসলামিয়া আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল খালেক। তিনি দ্বীনি শিক্ষা ও দস্তারবন্দীর মর্যাদা তুলে ধরে বলেন, হাফেজ ও আলেমরা জাতির নৈতিক দিকনির্দেশক—তাদের সম্মান রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পালাখাল মডেল ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন স্বপন। তিনি এমন মাহফিল আয়োজনের জন্য মসজিদ কমিটি ও সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের দ্বীনি আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মাহফিল বাস্তবায়নে মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় সহযোগীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা প্রশংসিত হয় সর্বমহলে।
এই মাহফিল শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানই নয়—বরং তা হয়ে উঠেছিল ইমানি জাগরণ, দ্বীনি শিক্ষা ও সামাজিক ঐক্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

Don`t copy text!