স্টাফ রিপোটার:
লক্ষ্মীপুরে রেদোয়ান উল্যার অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা তার এখন নিত্যদিনের কাজ। তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। লক্ষ্মীপুর পৌর জামাতের সদস্য ও ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতার আত্মীয় এই রেদোয়ান উল্যা।
স্থানীয়রা জানান, পৌর জামাতের প্রভাবশালী সদস্য রেদোয়ান উল্যার নেতৃত্বে মো. নাইরুল ইসলাম, মো. মাসুদ রানা, মো. রুবেলসহ অন্তত ১০/১৫ জন সদস্যের তাদের একটি গ্রুপ রয়েছে। এলাকায় চাঁদাবাজি, জমি দখল করাই যাদের কাজ। তাদের বিরুদ্ধে খুন, জমি দখল, মানুষকে জিম্মি করে টাকা আদায় এমন কয়েকটি মামলাও রয়েছে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তাদেরকে গ্রেফতার করছে না পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতার আত্মীয়র পরিচয় দিয়ে সে এই সব কার্যক্রম চালাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আলি হাসান বলেন, রেদোয়ান উল্যা আর তার সহযোগীরা এলাকাবাসীকে অনেক অত্যাচার করছে। তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলা যায় না। এলাকার মানুষ তাদের হাতে জিম্মি হয়ে আছে। ভয়ে কেউ কিছু বলছে না। কেউ মুখ খুললেই চলে নির্যাতন। সমসেরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা মানিক বণিক বলেন, কিছুদিন আগে আমার বাড়ির পেছনে জমি কিনেছে এই রেদোয়ান উল্যা। এখন আমার বাড়ি ভেঙে রাস্তা নিতে চাচ্ছেন। দিনে-দুপুরে আমার বাড়িতে এসে হুমকি দিচ্ছেন তারা। কোনো কথা বললে বাড়ির মহিলাদেরকে তুলে নিয়ে যাবার হুমকি দেন. তাই ভয়ে কাউকে বলিনি। ৭ নং ওয়ার্ডের ভুক্তভুগী সাত্তার হোসেন বলেন, রেদোয়ান উল্যার নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। এরা কেউ খুনের মামলার আসামি, কেউ আবার মাদক মামলার আসামি। ১৫ দিন আগেও স্থানীয় একটি জমি তারা দখল করে নিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে পারে না।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পৌর জামায়াতের সদস্য রেদোয়ান উল্যা।তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমার কোন বাহিনী নাই।আর আমি কারো জমি দখল করিনি। ওই জমি আমার বংশীয় সম্পত্তি।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, বিষয়টি আমার নজরে ছিল না। কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি।

