ঢাকাশনিবার , ৪ জুলাই ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে মধ্যনগরের দ্বিতীয় স্মৃতিসৌধ: প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণের দাবি মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
জুলাই ৪, ২০২৬ ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শফিকুল ইসলাম শফিক, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

​সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার মহিষখলা গ্রামে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মৃতিসৌধটি তীব্র নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। এই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাটি রক্ষায় দ্রুত প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ এবং সার্বক্ষণিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কর্মচারী নিয়োগের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল।

​সরেজমিনে দেখা যায়, সৌধের গা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া নদীর তীব্র স্রোতে তীরের মাটি ক্রমাগত ক্ষয়ে যাচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে পানির চাপ বাড়লে যে কোনো সময় ঐতিহাসিক এই স্মৃতিসৌধটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

​এ বিষয়ে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সোলায়মান মিয়া বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও শহীদদের ত্যাগের প্রতীক এই স্মৃতিসৌধ। এটি কেবল মধ্যনগরের নয়, বরং একটি জাতীয় সম্পদ। অথচ নদী ভাঙন ও অবহেলার কারণে আজ এটি ধ্বংসের মুখে। আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই, অবিলম্বে স্মৃতিসৌধের চারপাশে স্থায়ী প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ করা হোক।”

​তিনি আরও বলেন, “স্থাপনাটির সৌন্দর্য রক্ষা ও সার্বক্ষণিক দেখভালের জন্য সরকারিভাবে লোকবল নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি এলাকাটিকে একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলে নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুলে ধরতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা সময়ের দাবি।”

​সরেজমিনে উপস্থিত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “স্মৃতিসৌধটি বর্তমানে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে এই জাতীয় সম্পদটি রক্ষা করুন। অন্যথায়, নদী ভাঙনের ফলে ইতিহাসের এই সাক্ষী হয়তো একদিন বিলীন হয়ে যাবে।”

​এলাকার মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরাও এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Don`t copy text!