ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ভেলাতৈড় গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী মোঃশফিকুল ইসলামের কন্যা মোছাঃসীমা আক্তারের সাথে আনুমানিক ৬/৭ মাস আগে একই গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে মোঃসাগর ইসলামের সাথে বিয়ে হয়।
বিয়ের পরেই শুরু করে স্ত্রী সীমা আক্তার উপর অমানুষিক নির্যাতন। জানা যায় প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে সাগর।
বাবার বাড়ী সীমাকে নিয়ে সগরের নিজ বাড়িতে রেখে ১২ই আগষ্ট শুক্রবার রাতে সীমাকে মারপিট করে।
এসময় সাগর সীমার বাপের বাড়ী থেকে বাসায় যাওয়ার কথা বল পালিয়ে গিয়ে গা ঢাকা দেয় সাগর ইসলাম।
এ বিষয়ে সীমা তার স্বামীকে না পেয়ে তার স্বামী সাগরের বাড়িতে গেলে সাগরের পরিবারের লোকজন তাকে মারপিট করে বাসা থেকে বেড় করে দেন।
পরে সীমা কোন উপায় না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তার পিতা শফিকুল ইসলাম দেখে ফেললে।
সীমাকে আত্মহত্যা থেকে মুক্তি পায় সীমা। এলাকাবাসী লোকজন সহ সফিকুল ইসলাম তার কন্যা সীমাকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
বর্তমানে সীমা হাসপাতালে ব্যাথায় কাতরাচ্ছে।
এবিষয়ে সীমা গণমাধ্যম কর্মীকে জানান আমার স্বামী সাগর ইসলাম আমাকে মারপিট করে পালিয়ে যায়।আমাকে বিয়ে করে তার বংশ মর্যাদা নষ্ট হচ্ছে বলে আমাকে কৌশলে তাড়ানোর চেষ্টা করছে।আমি তার উচিত বিচার চাই।এবং তার পিতা শফিকুলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

