ঢাকাশনিবার , ২০ মে ২০২৩
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নওগাঁ জেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় বাদামের বাম্পার ফলনের সম্ভবনায় আশা করছেন কৃষক-DBO-news

প্রতিবেদক
admin
মে ২০, ২০২৩ ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নওগাঁ জেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় বাদামের বাম্পার ফলনের সম্ভবনায় আশা করছেন কৃষক-DBO-news
“””””””””'”””””””””””””'”””””””””””””””””
উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

নওগাঁ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাদামের বাম্পার ফলনের আশা সম্ভবনা করছেন কৃষক।তাই ২০২৩ সালে চলতি বছর নওগাঁ জেলায় বাদামের ফলন ভালো হওয়ায় হাঁসি-খুশি কৃষকরা। এছাড়া ভালো দাম পাওয়ায় বাদাম চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। নওগাঁ জেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ জেলার উপজেলায় এ বছর বাদাম চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৮ হেক্টর জমিতে ঢাকা-১ ও ২, ডিজিএম, বারী এবং ঝিঙ্গা জাতের বাদাম চাষ করা হয়েছে।-মহাদেবপুর উপজেলার ৯ নং চেরাগপুর ইউনিয়ন চৌমাশিয়া সরকার পাড়ার কৃষক শ্রী সুকুমার চন্দ্র সরকার বুদ্যুৎ সরকার গোনেষ পাহান বুদুপাহান শুধু পাহান (সুদু)
এছাড়া রানীনগর উপজেলার মিরাট ইউনিয়নে হামিদপুর, জালালাবাদ ও কালীকাপুর গ্রামের কৃষকরা জাম থেকে বাদাম তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।-মিরাট গ্রামের কৃষক জামাল মোস্তফা জানান, দুই বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছেন। এবার বৃষ্টির কম হওয়ার কারণে বাদাম বড় হয়েছে এবং ফলনও ভালো হয়েছে। বাদাম চাষ করতে খরচ ও পরিশ্রম খুবই কম। বিঘা প্রতি প্রায় চার হাজার টাকার মত খরচ হয়। তবে বাদাম চাষে জমিতে কোনো কীটনাশক দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।-কৃষক জাকির জানান, বিল অঞ্চলের এ জমিগুলো আলু চাষ করার পর পড়ে থাকতো। এবার সেই জমিতে বাদাম চাষ করেছেন। কাঁচা বাদামের দাম ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং শুকনা বাদাম সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা।–কৃষক জাবেদ আলী জানান, গত বছর দশ কাঠা জমিতে বাদাম চাষ করে ভাল ফলন পেয়েছেন। এবার ২৫ কাটা জমি বর্গা (আদি) নিয়ে বাদাম চাষ করেছেন।-এ বিষয়ে জেলার রানীনগর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা এসএম গোলাম সারওয়ার বলেন, “এ উপজেলায় এবার ২৫ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ১০ হেক্টর বেশি। পতিত জমিতে ঝিঙ্গা ও ঢাকা-১ জাতের বাদাম চাষ করে ভাল ফলন পাওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ সার্বক্ষণিক কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে আসছে।

Don`t copy text!