ঢাকাশুক্রবার , ২৬ জুন ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তমরদ্দি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি অভিভাবকদের

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
জুন ২৬, ২০২৬ ৮:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ জাকের হোসেন, হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:

​নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা এবং শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের এক অভিভাবক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

​অভিযোগকারী ইকবাল হোসেন (কালাম) জানান, তার দুই মেয়ে ওই বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ১৩-১৪ বছর ধরে দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না, যার ফলে সামগ্রিক পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

​লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২২ জুন দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে অনুপস্থিত পান। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকদের কাছে জানতে চাইলেও তারা সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

​অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ের কিছু শ্রেণিকক্ষ ও নিচতলার অংশ ভাড়া দেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের চলাচল ও খেলাধুলার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে, যা শিক্ষার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল আদায় করা হলেও, ভাড়াটিয়াদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের ব্যয়ও শিক্ষার্থীদের ওপর চাপানো হচ্ছে বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো প্রশাসনিক তদন্ত হয়নি।

​স্থানীয় সূত্র জানায়, অতীতে প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষে দীর্ঘ সময় অবস্থানের জন্য খাট বিছিয়ে রাখার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ছিল। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও কিছু অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও শোনা যাচ্ছে, যদিও এসবের কোনো স্বতন্ত্র প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

​ভুক্তভোগী অভিভাবক ইকবাল হোসেন বলেন, “প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও চরম অবহেলার কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আমরা চাই, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিষয়গুলোর সত্যতা যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”

​এ বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক মো. শাহাবুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

​স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

Don`t copy text!