ঢাকারবিবার , ১ নভেম্বর ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংযুক্ত আরব আমিরাতে মহাসমারোহে উদযাপিত হলো বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শ্রেষ্ঠ ধর্মীয় উৎসব কঠিন চীবর দান

প্রতিবেদক
admin
নভেম্বর ১, ২০২৬ ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক, সংযুক্ত আরব আমিরাত: সাগর চন্দ্র স্বপন**

যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে উদযাপিত হয়েছে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘দানোত্তম কঠিন চীবর দান’। প্রবাসী বাংলাদেশি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ উৎসবে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলনমেলা সৃষ্টি হয়।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) আজমানের উইনার্স স্পোর্টস ক্লাবে বাংলাদেশ বৌদ্ধ বিহার ও ভাবনা কেন্দ্র, আমিরাতের উদ্যোগে সপ্তমবারের মতো এ দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি জনি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রনি বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ধর্মীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. ভদন্ত জ্ঞানদীপ মহাথের, ভদন্ত ধর্মরত্ন মহাথের, ভদন্ত ভদ্ধীয় মহাথের, ভদন্ত মৈত্রী পাল মহাথের, ভদন্ত চন্দ্রাতন থের, ভদন্ত শিবলী ভান্তেসহ বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল থেকে আগত বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘের সদস্যরা।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী আশীষ বড়ুয়া, অসীম তালুকদার, সুপায়ন বড়ুয়া, ব্যবসায়ী টিপু বড়ুয়াসহ আমিরাতে বসবাসরত অসংখ্য বাংলাদেশি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে প্রবাসী বৌদ্ধ পরিবারের সদস্য ও পুণ্যার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

দিনব্যাপী ধর্মীয় আয়োজনের মধ্যে ছিল বুদ্ধপূজা, পিণ্ডদান, ধর্মীয় সূত্রপাঠ, ভিক্ষু সংঘের ধর্মীয় দেশনা এবং সমবেত প্রার্থনা। অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রবাসে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আয়োজকরা জানান, প্রবাসের মাটিতে বৌদ্ধ ধর্মীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সফলভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে কঠিন চীবর দান অত্যন্ত পুণ্যময় ও তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসবের মধ্য দিয়ে ভিক্ষু সংঘের প্রতি শ্রদ্ধা, ত্যাগ, দানশীলতা ও মানবকল্যাণের চেতনা প্রকাশ পায়।

প্রবাসে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নিজস্ব সংস্কৃতি ধরে রাখার এমন আয়োজন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী পুণ্যার্থীরা। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিশ্বশান্তি, মানবকল্যাণ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের সকল প্রবাসীর সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

Don`t copy text!