ঢাকাসোমবার , ১১ নভেম্বর ২০২৪
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাঁচবিবিতে কেনা সম্পত্তিতে ঘর নির্মাণে বাধা, প্রাণ নাশের হুমকি

প্রতিবেদক
majedur
নভেম্বর ১১, ২০২৪ ৯:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পাঁচবিবিতে কেনা সম্পত্তিতে ঘর নির্মাণে বাধা, প্রাণ নাশের হুমকি

সাখাওয়াত হোসেন, পাঁচবিবি (জয়পুরহাট ) প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ৩৫ বছর পূর্বের কেনা সম্পত্তিতে বাড়ি করতে না দেয়ার অভিযোগ, বিবাদী কর্তৃক প্রাণ নাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের ছাতিনালী গ্রামে।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ঐ গ্রামের মৃত বজির উদ্দিন মন্ডলের পুত্র মোঃ নবীর হোসেন মন্ডল বিগত ১৯৮৮ সালে একই গ্রামের শ্রী কেশব চন্দ্র দাসের নিকট থেকে ১৭৮৬ ও ১৭৮৭ দাগে মোট ১০.৭৫ শতাংশ জমি দলিল মূলে ক্রয় করে বসবাস করে আসছিল। গত বছর বেড়ার ওই বাড়িটি ভেঙে দিয়ে জমির মালিক নবীর হোসেন সেখানে একটি পাকা বাড়ির নির্মাণ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমতাবস্থায় একই গ্রামের বিবাদী শ্রী গোপাল চন্দ্র দাস,শ্রী নেপাল চন্দ্র দাস, শ্রী নির্মল চন্দ্র দাস, শ্রী বিমল চন্দ্র দাস ও শ্রী কৃষ্ণচন্দ্র দাস উক্ত সম্পত্তি তাদের নিজের বলে দাবি করে নবীর হোসেনের বাড়ি করার কাজে বাধা দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। এই হুমকির প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা চেয়ে ১০ নভেম্বর পাঁচবিবি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জমির মালিক নবীর হোসেন।
ইতিপূর্বে এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস আগে একটি গ্রাম্য বৈঠক বসলেও কোন মিমাংসা হয়নি।
জমির মালিক নবীর হোসেন মন্ডল বলেন, ৩৫ বছর পূর্বে আমি এই সম্পত্তিটি দলিল মূলে ক্রয় করেছিলাম। এখন বাড়িটি ভেঙ্গে নতুন করে নির্মাণ করতে গেলেই তারা এসে আমাকে বাধা দেয়। আমার জমির দলিল, রেকর্ড এবং খাজনার পরিষদের কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বিবাদীগণ আমাকে আমার সম্পত্তিতে বাড়ি করতে দিচ্ছে না। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই?
স্থানীয় গ্রামবাসী বাবুল মিয়া, আহাদ আলী সরকার ও আমিরুল ইসলাম জানান, এই সম্পত্তিটা নবীর হোসেন দলিল মূলে কিনেছেন এবং বসবাসও করছিলেন হিসেবে আমরা জানি।
এব্যাপারে বিবাদীদের বাড়িতে গেলে এক নম্বর বিবাদী শ্রী গোপাল চন্দ্র দাস ও ২ নং বিবাদী শ্রী নেপাল চন্দ্র দাস কে না পেলেও ৪ নম্বর বিবাদী শ্রী বিমল চন্দ্র দাস কে তার দোকানে গিয়ে পাওয়া যায়। ঘটনা সম্পর্কে শ্রী বিমল চন্দ্র দাস কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন,নবীর হোসেন যে অভিযোগ করেছে তা সঠিক। তবে তার সম্পত্তিটি কোন দাগে রয়েছে সেটা আগে নির্ধারণ করতে হবে।

Don`t copy text!