মোঃ জাকের হোসেন, নোয়াখালী (হাতিয়া) প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার নিয়ে অনিয়ম, অতিরিক্ত বিল কাটা এবং নিম্নমানের সেবার অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ অফিসের একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার থেকে ২১০০ টাকার মিটার ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা দিয়ে কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। এছাড়া মাস্টার রোলে কিছু কর্মী নিয়োগ দেওয়া হলেও মিটারের কোনো সমস্যা দেখা দিলে তারা সময়মতো আসেন না। গ্রাহকদের অভিযোগ, সেবা পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করলে “কাজ করছি” বলে ১ থেকে ২ দিন সময়ক্ষেপণ করা হয় এবং কর্মীরা আসার পর গ্রাহকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের ১ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিমান্ড বা অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়।
গ্রাহকরা আরও অভিযোগ করেন, পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার না করা সত্ত্বেও মিটার থেকে অস্বাভাবিক হারে টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘন ঘন বিঘ্ন ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এর কোনো যথাযথ ব্যাখ্যা বা সমাধান মিলছে না।
এ অবস্থায় প্রিপেইড মিটারের হিসাব ও চার্জ নির্ধারণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। পাশাপাশি অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা, নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
জনভোগান্তি কমাতে প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, গ্রাহকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন হাতিয়ার সাধারণ গ্রাহকরা।

