মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি-
মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার কাশিপুর বসত বাড়ির সামনে থেকে সিফাত (১৯) নামের এক কিশোরকে ডেকে নিয়ে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে একই উপজেলার দুর্গাবাড়ি এলাকার আরাফাত (২৪) ও দশকানী গ্রামের রাতুল (২০) এর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযোগকারী বাদী হয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
অভিযোগকারী সিফাত মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ পঞ্চসার ইউনিয়নের দূর্গাবাড়ী এলাকার সেলিম শেখের ছেলে। পেশায় দর্জি কাজ করেন।
সাধারণ ডাইরী থেকে জানা গেছে, আজ রোববার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার কাশিপুর কেপিবাগ মাদ্রাসার সামনে অভিযুক্ত আরাফাত এক মেয়ের সাথে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি করছে।
বিষয়টি দেখে অভিযোগকারী যাতায়াতের সময় দেখিতে পেয়ে ঠেকানোর চেষ্টা কালে অভিযুক্ত আরাফাত অভিযুক্ত কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি ও হুমকি দেয়।
পরে অভিযুক্ত বাড়ি চলে গেলে একই তারিখ দুপুর ২ টার দিকে অভিযুক্ত সিফাতকে কাশিপুর বসতবাড়ি সামনে থেকে কৌশলে ডেকে দুর্গাবাড়ি এলাকায় এনে কাঠের ডাসা বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। এ সময় অভিযুক্ত সিফাত চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে এবং অভিযুক্ত আরাফাত ও রাতুল খুন জখমের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সিফাত জানান, আমাকে মারধর করে আরাফাত ও রাতুল আমার ২০ হাজার টাকা মূল্যের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ভাঙচুর করে। আমি মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছি। এ ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় ডায়েরি করেছি।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারীর মা শাহনাজ বেগম জানান, আমার ছেলে কারখানা থেকে দেওয়ান বাজার গেছে। এ সময় আমার ছেলে ও তার চাচাতো ভাই একত্রে বাড়িতে আসার সময় দেখে অভিযুক্ত আরাফাত একটি মেয়ের সাথে হাতাহাতি করছে। আমার ছেলে সিফাত ওই মেয়েকে মারতে নিষেধ করলে তখন ওরা আমার ছেলেকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। পরে আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে দুর্গা বাড়ি এলাকায় অজ্ঞাত স্থানে মারধর করে।
এ ব্যাপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এম. সাইফুল আলম জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

