ঢাকাশুক্রবার , ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কালীগঞ্জে যুবককে ইউএনও’র চপেটাঘাতের অভিযোগ: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড়

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
এপ্রিল ২৪, ২০২৬ ৭:১৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

​লালমনিরহাট প্রতিনিধি :

​লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটরসাইকেল গ্যারেজ কর্মচারীকে চপেটাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে।

ঘটনার বিবরণ:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তাঁর মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংগ্রহের জন্য গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চান। প্রদীপ তাঁর কর্মচারী নদীকে (১৮) ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য ফিলিং স্টেশনে পাঠান। নদী যখন লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন সেখানে তদারকিতে থাকা ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তাঁর হাতের কার্ডটি পরীক্ষা করেন। কার্ডের ছবির সঙ্গে নদীর চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাকে চপেটাঘাত করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

জনরোষ ও প্রতিক্রয়া:

এই ঘটনায় উপস্থিত জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের তোপের মুখে ইউএনও বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখেন। পরবর্তীতে অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

​ভুক্তভোগী নদী বলেন, “আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।”

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান চপেটাঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি শুধু তাঁর গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তাঁর কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাঁর অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

​তবে ভিডিওচিত্র এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার সাথে ইউএনও’র বক্তব্যের অমিল থাকায় স্থানীয় সচেতন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

Don`t copy text!