ঢাকারবিবার , ৯ নভেম্বর ২০২৫
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রতিবেদক
majedur
নভেম্বর ৯, ২০২৫ ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আব্দুল মতিন মুন্সী বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ১৫টি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ওয়াপদা মোড়ের হারুন শপিংমলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের সময় উত্তেজিত জনতা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির ওপর হামলার চেষ্টা করলে, বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বাবু সনজয় সাহা নিজের বুক পেতে গাড়িটি রক্ষা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়ার নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ
খন্দকার নাসিরুল ইসলামের নেতৃত্বে শান্তিপূর্ণভাবে চলমান মিছিলে হঠাৎ লাঠি ও রামদা নিয়ে হামলা চালায়।
এতে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বেশ কিছু মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করে।
এ সময় কিছু উত্তেজিত ব্যক্তি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির ওপর হামলার চেষ্টা চালালে সনজয় সাহা সামনে এগিয়ে এসে নিজের বুক পেতে গাড়িটি রক্ষা করেন এবং উত্তেজিত কর্মীদের শান্ত করেন।

সনজয় সাহা বলেন,

“এটি আমাদের দেশের সম্পদ। রাজনীতি করতে গিয়ে জনগণের সম্পদ নষ্ট করা কোনোভাবেই সঠিক নয়। আমি দলের সব কর্মীকে আহ্বান জানাই— নিজেদের মধ্যে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হোন।”

 

বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন,

“সনজয় সাহা অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। উত্তপ্ত মুহূর্তে তাঁর উপস্থিতি বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা করেছে।”

 

পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শেখ বলেন,

“দলীয় সম্প্রীতি রক্ষা ও সরকারি সম্পদ বাঁচাতে সনজয় সাহা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।”

 

ফায়ারম্যান আব্দুল হালিম বলেন,

“আমরা যখন আগুন নেভাতে ব্যস্ত, তখন কিছু লোক আমাদের গাড়ির দিকে এগিয়ে আসছিল। ঠিক সেই সময় সনজয় সাহা আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে নিরাপদে কাজ করতে সাহায্য করেন।”

 

সংঘর্ষের পর খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয় এবং ওয়াপদা মোড়ে টহল জোরদার করা হয়।

Don`t copy text!