সুভাস দা,,,,।
পটুয়াখালী এলএ শাখার চিহ্নিত দালাল মোস্তাফিজুর রহমান।
সরকার কর্তৃক জমি অধিগ্রহণ করার ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রতিষ্ঠান পটুয়াখালী এল এ শাখা কে ঘিরে দালালদের দৌরাত্ম্য দিন কে দিন বেড়েই চলছে। এ যেন তাদের লাগাম টানার কেউ নেই। সুত্রে জানা গেছে, উক্ত চিহ্নিত বা কিংবা অপরিচিত দালালদের মধ্যে এই মূহুর্তে সব চেয়ে টপ গিয়ারে আছেন মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ওরুপে মোস্তাফিজ। তিনি সকাল নেই বিকাল নেই এমনকি রাত অবদি পর্যন্ত এলএ অফিসার (১)’র দপ্তরের পাশের পশ্চিম পাশের রুমে সরকারি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র সাঙ্গ -পাঙ্গ নিয়ে নিজে নামিয়ে তথ্য- উপাথ্য সংগ্রহ করেন।
এ যেন মামার বাড়ির আবাদের ন্যায় তার কাজ কর্ম। তার উক্ত নিয়ম বহিভূর্ত কাজ গুলো কে হালাল করতে তাকে সহায়ক হিসাবে কাজ করছেন এ অফিসের দু’একজন কতিপয় সার্ভেয়ার ও কানুনগো এবং চর্তুথ শ্রেণির কর্মচারী। উক্ত মোস্তাফিজুর রহমান ওরুপে মোস্তাফিজ সাবেক সরকারের আমলে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে রাজনীতি বীদ পর্যন্ত এমন কেউ বাকী নাই যে বিভিন্ন কাজে কর্মে সে তাদের নাম বেঁচে নাই। বিগত দিনে আ’লীগ মনা ছোট -বড় যত লোক এলএ শাখা ঘিরে অর্থ উপার্জন করে সংসার পরিচালনা করতেন তারা ৫ আগষ্টের পরে গা ডাকা দিয়েছেন। কিন্তু মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাফিজ এলএ শাখা ছাড়েনি। সুত্রে আরও জানা গেছে, এ বছর দালালির টাকায় মোটা অংকের টাকায় পশু কিনে তিনি কোরবানী দিয়েছেন।
অন্য দিকে তিনি স্বপ্ন দেখছেন এলএ শাখায় দালালী করে অর্থ কামাই করে তার গ্রামের বাড়ি দুমকী উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়ন থেকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন। অনুসন্ধান চালিয়ে জানা গেছে পটুয়াখালী জেলায় সরকার এ পর্যন্ত যত ইউনিয়নে জমি অধিগ্রহণ করছেন তার মধ্যে উক্ত মোস্তাফিজুর রহমান ওরুপে মোস্তাফিজ এর কোনও পৈত্রিক ও তার নিকটতম আত্নীয়র কোনও জমি নেই। বর্তমানে তার নেশা এবং পেশাই হলো এলএ শাখার দালালী করা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা গেছে মোস্তাফিজুর রহমান ওরুপে মোস্তাফিজ এর হাতে এই মূহুর্তে জনৈক এক ব্যক্তির ১ কোটি টাকার একটি জমির ফাইল রয়েছে। তাই তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছে যে কোনও মূল্য এ ফাইল এলএ শাখা থেকে তিনি ছাড়িয়ে নিবেন, নিবেনই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকই প্রশ্ন ছুরে দিয়েছেন যে, মোস্তাফিজুর রহমান ওরুপে মোস্তাফিজ এর অবৈধ ক্ষমতার উৎস কি?।
বর্তমানে কে তার আশ্রয় – প্রশয়দাতা। কি ভাবে সে এখনো এলএ শাখা দখল করে প্রতিনিয়ত দালালী করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। এ বিষয় জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমান ওরুপে মোস্তাফিজ বলেন, কত কি দেখলাম, কত কি দেখবো, যত পারেন লেখা লেখি করেন,দেখি কি হয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটুয়াখালী এলএ শাখার (১)র অফিসার মোঃ ওমর ফারুক বলেন, এলএ শাখায় যার কাজ সে এসে নিজে করে নিয়ে যাবে, এমনটাই তো কথা। কেউ দালালী করে তার বিষয় অভিযোগ দিলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্হা নেয়া হবে।

