ঢাকাসোমবার , ৫ মে ২০২৫
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ক্ষতি প্রায় ৫ লাখ টাকা রাজগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আগুনে মুক্তা স’মিল পুড়ে ছাই

প্রতিবেদক
majedur
মে ৫, ২০২৫ ৬:০৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

উত্তম চক্রবর্তী,মণিরামপুর(যশোর)।।

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজার সংলগ্ন কীত্তিবাসের মোড় নামক স্থানে বিদ‍্যুতের শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে মুক্তা স’মিল। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। স’মিল মালিক মোঃ ওমর আলী জানান- ৪ মে রোববার রাত সাড়ে নয়টার দিকে কাজ শেষে করে মিল বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। রাতে মিলে থাকা নাইট গার্ড বিঞ্চু পদ রাত আড়াইটার দিকে হঠাৎ দেখতে পায় মিলের ঘরের ভীতরে আগুন জ্বলছে। এ সময় সে আত্নচিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে ফোনে স’মিল মালিককে ও মণিরামপুর ফাঁয়ার স্টেশনে সংবাদ দেয়। সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষনিক ফাঁয়ার সার্ভিসের কর্মিরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে সক্ষম হয়। তবে আগুন নিয়ন্ত্রনের আগেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ফলে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে নাইট গার্ড বিঞ্চু পদ কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন- মালিকরা মিলে থাকা কালীন আমি মিলে আসি। আমি বাইরে খাটের উপরে বসে ছিলাম। হঠাৎ দেখি মিলের মেশিন ঘরের ভিতরে আগুন জ্বলছে। এ সময় আমি আত্ম চিৎকার দিলে আশেপাশে লোকজন ছুটে আসে। এবং মিল মালিককে ফোনে জানান। মণিরামপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাফায়ত হোসেন বলেন-রাতে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ৪০ মিনিট কাজ করার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। সাফায়াত হোসেন আরও বলেন- আগুন লেগে মালিক অন্তত তিন লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে। আমরা পাঁচ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করতে পেরেছি। এ বিষয়ে স’মিল মালিক মোঃ ওমর আলী ছেলে সাইফুল ইসলাম জানান, প্রতিদিনের ন‍্যায়ে কাজ শেষে আমরা সবাই মিল বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। রাত আড়াইটার দিকে হঠাৎ ফোন আসে স’মিল ঘরে আগুন লেগেছে। আমরা বাড়ির থেকে দ্রুত এসে দেখি মিলে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। কিছুক্ষণের মধ্যে ফাঁয়ার সার্ভিসের কর্মিরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও পুরো মিলটা পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ফলে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। মিলে আগুন লাগার কারণে আমরা পথের ফকির হতে বসেছি। আমাদের আর কিছু থাকলো না। বিভিন্ন সংস্থা থেকে লোন নিয়ে আমরা মিল চালু করি, আমরা এখন নিঃস্ব হয়ে গেছে।

Don`t copy text!