কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় দুধকুমর নদী খননের বালু বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের আদর্শবাজার নামাহাইল্লা এলাকার মালিকানা ফসলী জমিতে জোর পুর্বক রাখার কারনে বসতবাড়ী ও ফসলি জমির ক্ষতি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগী দুলাল,মাইদুল,কালু,ফজিরণ আছিয়াসহ স্থানীয় অনেকে জানান, নদী খননের বালু নদীর পূর্বচরে না রেখে খামার হাসনাবাদ দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আমজাদ হোসেন ও আনোয়ার হোসেন সেই বালু বিক্রীর উদ্যেশ্যে তার নিজের জমি সংলগ্ন অনেকের ফসলী জমিতে জোর পূর্বক রাখায় এলাকার বাড়ীসহ ফসলী জমির ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।
অন্যদিকে ওই গ্রামের দেলদার আলীর নিজ নামিও জমিতে জোর পুর্বক বালুরাখতে চাইলে, দেলদার আলী সেখানে বাধা দিতে গেলে তাকে মারধর করায় গুরুতর আহত হয়, পরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এলাকার আমজাদ মাস্টার বলেন, অনেক তদবির করে এই নদী কাটিং পাশ করে নিয়ে আশা হয়েছে, তাই আমি আমার নিজের জমিতে বালু রাখছি।
উক্ত এলাকার ভুক্তভোগী আছিয়া, ফজিরোন,কালু মিয়া, মাইদুল ইসলাম আজিজুল ইসলাম জানায়, সরকার মানুষের উপকারের জন্য নদী খনন করতেছে। কিন্তু এলাকার কিছু কুচক্রী মহল ড্রেজিং মেশিনের অপারেটর ও সুপার ভাইজারকে ম্যানেজ করে নদীর বালু চরের মধ্যে না ফেলে আমাদের ফসলি জমিতে ফেলছে।
এতে আমাদের জমি নদীতে ভেঙ্গে গিয়ে যেটুকু আছে সেখানেও বালু ফেলে নষ্ট করছে। বসতবাড়ি সহ ঘরের ধান, চাল ও খর ভিজে যাচ্ছে। ঘরে রাত্রে ঘুমানোও যাচ্ছে না। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।

