বগুড়া গাবতলী অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় হিন্দু যুবককে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে।
স্ত্রীর সম্ভ্রম বাঁচাতে গিয়ে জীবন দিতে হলো শ্রী অমৃত রায় কে.এমন কি অপরাধ ছিলো অমৃতের?
আজ দেশও জনগনের সামনে উপস্থিত গত শুক্রবারের ঘটনা, হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর কি এভাবেই হত্যা ও দখল ধষন হবে।
আমরা জানি মুক্তিযুদ্ধের সময় হিন্দুরাও যুদ্ধ করেছে,শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে তাহলে হিন্দুরা কেন সবসময়ই হামলার স্বীকার হবে।

বগুড়ার গাবতলীতে শ্লীলতাহানীর প্রতিবাদ করায় হিন্দু যুবককে স্বজোড়ে গলাটিপে ও বুকে লাথি মেরে আঘাত করে প্রকাশ্যে হত্যা করেছে ঘাতকরা।
জানা গেছে গাবতলীর, নেপাল তলী ইউনিয়নের,পারকাঁকড়া ভাঙ্গিপাড়া গ্রামের এক হিন্দু ব্যক্তির স্ত্রীকে পার্শবর্তী বাড়ির এনামুল হকের ছেলে রিফাত ইসলাম(১৭)ঘটনার দিন সকাল ৬টায় তার বাড়ির ভিতরেগিয়ে হঠাৎ পিছন দিকথেকে ঝাপটে ধরে এবং ওই নারীর সঙ্গে জোরপূর্বক অনৈতিক কর্ম কাণ্ডে লিপ্ত হতে চায়।
ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয়রা এসে উক্ত রিফাত ইসলামকে আটকও করে।
আটকের খবর পেয়ে রিফাত ইসলামের বাবা এনামুল হক সহ অন্যান্যরা রিফাত ইসলামকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার জোর চেষ্টা করে। এরই এক পর্যায়ে এই বিষয় নিয়ে তাদের মাঝে সংঘর্ষও হয়।
এ সময় শ্রী অমৃত রায় ঝামেলা মিটাতে আসলে তাকে এনামুল স্বজোরে গলাটিপে ধরে বুকে আঘাত করলে, ঘটনাস্থলেই শ্রী অমৃত রায় মারা যায়। অমৃত মা ও এলাকা বাসি দৈনিক বাংলার অধিকার কে জানান আমাদের উপর হামলা করেছে, আমাদের কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দুমকি আসছে।
এ ঘটনায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করে এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।এস আই নিরঞ্জন রায় জানায়, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছি।
পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ইতিমধ্যে পুলিশ খুনি সহ ৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 
এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এলাকাবাসি। এবং অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানায়

