ঢাকাবুধবার , ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শেরপুরে গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশা: ভোগান্তিতে দড়িমুকুন্দ গ্রামের শতাধিক পরিবার

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
এপ্রিল ২৯, ২০২৬ ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

উর্মি আক্তার, বগুড়া প্রতিনিধি :

​ বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের দড়িমুকুন্দ মধ্যপাড়ার সড়কটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অন্তত শতাধিক পরিবারের মানুষ। খানাখন্দ আর কাদা-পানিতে একাকার হয়ে থাকা এই সড়কটি এখন এলাকাবাসীর জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​সরেজমিন চিত্র

​সরেজমিনে দেখা যায়, দড়িমুকুন্দ মধ্যপাড়ার এই গ্রামীণ সড়কটি কাঁচা এবং পার্শ্ববর্তী জমির তুলনায় বেশ নিচু। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে হাঁটু সমান পানি জমে এবং পিচ্ছিল কাদার সৃষ্টি হয়। এই প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেই প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন শিক্ষার্থী, মুমূর্ষু রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

​শ্রমজীবী মানুষের আর্তনাদ

​এলাকার বাসিন্দা হুমায়ূন ও তোজামসহ বেশ কয়েকজন দিনমজুর ও ভ্যানচালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা ভ্যান-রিকশা চালিয়ে সংসার চালাই। কিন্তু রাস্তার এই বেহাল দশায় বর্ষাকালে গাড়ি চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে ভ্যান গ্যারেজে রাখতে হয়, যার জন্য প্রতিদিন ১০০ টাকা করে বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। এতে আমাদের আয়ের বড় একটা অংশ চলে যাচ্ছে এবং ভ্যানের যন্ত্রাংশও নষ্ট হচ্ছে।” তারা আক্ষেপ করে আরও বলেন, আজ পর্যন্ত কোনো জনপ্রতিনিধি এই রাস্তাটি সংস্কারে কার্যকর পদক্ষেপ নেননি।

​শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত ব্যাহত

​স্থানীয় বাসিন্দা আকতার হোসেন জানান, এই এলাকায় একটি বেসরকারি মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসা রয়েছে। প্রতিদিন ৫০-৬০ জন কোমলমতি শিশু এই পথ দিয়ে মাদ্রাসায় যাতায়াত করে। কর্দমাক্ত রাস্তার কারণে শিশুরা নিয়মিত ক্লাসে যেতে পারে না, ফলে তাদের পড়াশোনার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

​এলাকাবাসীর দাবি

​দড়িমুকুন্দ মধ্যপাড়ার বাসিন্দারা জানান, শুধু একটি রাস্তার অভাবে তাদের জীবনযাত্রা থমকে আছে। বিশেষ করে অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিতে পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ। এলাকাবাসী অতিদ্রুত এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি পাকাকরণ অথবা সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Don`t copy text!