ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরে আলম এর বিরুদ্ধে সাত লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার সাত ছয় দুই হাজার চব্বিশ ইংরেজি তারিখে সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় ওই ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামের আবদুর রহিম এর সাথে ।
তিনি জানান
বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে তিনি গত ২ জুলাই মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার শত ছয় চার শত বিশ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন বিজ্ঞ আদালতে।
মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার কপি ও রহিম মিয়ার সাথে কথা বলে জানা যায়
গত দুই হাজার একুশ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পশ্চিম ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ নূরে আলম তার নির্বাচনী ব্যায়ের জন্য রহিম মিয়ার কাছ থেকে এক সপ্তাহের কথা বলে দশ লাখ টাকা ধার নেয়। যা ওই সনের চোদ্দ নভেম্বর এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে মোহাম্মদ নুরে আলম কে টাকা প্রদান করা হয়।
এর পর নূরে আলম নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর ৩ লাখ টাকা রহিম মিয়াকে ফেরত দেয়,বাকি টাকা দেম দিচ্ছি করে তালবাহানা করছেন।
গত ত্রিশে জুন দুই হাজার চব্বিশ পাওনা টাকা চাইতে গেলে নূরে আলম চেয়ারম্যান রহীম মিয়ার সাথে খারাপ আচরণ করে টাকা দিতে অস্বীকার করেন ।
এ ব্যাপারে ঘটনার অন্যতম স্বাক্ষী ওই ইউনিয়নের ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন,আমার সামনে ই রহীম মিয়া নূরে আলম
চেয়ারম্যান কে আরো কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষী রেখেই টাকা ধার দেয়।
রহিম মিয়া কে নিরহ পেয়ে এখন টাকা দিতে অস্বীকার করছে আমি
এ ঘটনার সুষ্টু বিচারের দাবী জানাই।
এ ব্যাপারে জানতে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম কে মোবাইল ফোনে বার বার ফোন দিলে ও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাকে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোন জবাব দেননি।
এ বিষয় আবদুর রহিম বলেন,নির্বাচনের খরচের জন্য সে আমার নিকট থেকে দশ লাখ টাকা ধার নিয়েছে তার স্বাক্ষী ও রয়েছে। নির্বাচনের কিছুদিন পর ৩ লাখ টাকা ফেরত দেয় বাকি টাকা দেম দিচ্ছি করে দিচ্ছে না।
অবশেষে গত কয়েকদিন আগে বাকি ৭ লাখ টাকা দিবে না বলে দুর্ব্যবহার করে তাড়িয়ে দেয় এবং আমাকে হুমকি ধমকী দিচ্ছে আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

