ঢাকাশনিবার , ২৩ মে ২০২০
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চাঁদপুর জেলা বাসীকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানান আলহাজ্ব মিজানুর রহমান কালু( ভূঁইয়া)- দৈনিক বাংলার অধিকার

প্রতিবেদক

মে ২৩, ২০২০ ২:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ জনাব আলহাজ্ মিজানুর রহমান কালু( ভুইয়া) চাঁদপুর জেলার বীর সাহসী নির্ভীক ও অত্যন্ত নির্ভীক গরিবের বন্ধু চাঁদপুর জেলার স্বনামধন্য দানবীয় নেতা যুবলীগের আহ্বায়ক। দৈনিক বাংলার অধিকার এ-র একজন সম্মানিত উপদেষ্টা তিনি সম্মানের সাথে দৈনিক বাংলার অধিকারের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং দৈনিক বাংলার অধিকার এর জন্য উপদেশ দিয়ে যাচ্ছে। আজ দেশের মানুষের জন্য তিনি অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করেন,তিনি আমাদের দৈনিক বাংলার অধিকারকে এখন এমন নামাজ পড়ার জন্য আত্মীয়-স্বজন বন্ধু- আল্লাহ আমাদের কি তিনি আরো জানান বাংলাদেশ সরকার ও ভ্রাতৃপ্রতীম জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। পবিত্র ঈদুল ফিতরে আপনাদের অধিক অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। হাদিসে বর্নিত আছে, প্রতিটি জাতির কিছু খুশির দিন থাকে, ঈদ আমাদের খুশির দিন । (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮৯২) প্রিয়নবী (সা.) মদিনায় এসে দেখেন যে তাদের দুটি উৎসবের দিন রয়েছে। তিনি জিজ্ঞেস করেন, এ দুটি দিন কিসের জন্য? তারা বলল, এই দুই দিনে অন্ধকার যুগে আমরা খেলাধুলা করতাম, আমোদ-ফুর্তি করতাম। এ কথা শুনে প্রিয়নবী (সা.) বলেন, আল্লাহ এই দুই দিনের পরিবর্তে অধিকতর উত্তম দুটি দিন তোমাদের দিয়েছেন, আর তা হচ্ছে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ১১৩৪) প্রখ্যাত হাদিস ব্যাখ্যাকারী আল্লামা হাফিজ ইবনে হাজার (রহ.) বলেন, ঈদে আনন্দ প্রকাশ করা ধর্মের বৈশিষ্ট্যাবলির অন্যতম। (ফাতহুল বারি, ২/৪৪৩) আল্লামা শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবি (রহ.) বলেন, ঈদের দিন আনন্দ প্রকাশের পূর্ণতা হলো, সুন্দর কাপড় পরিধান করে একে অন্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বের হবে এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করবে। (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ : ২/৩০) আমাদের কোনো কোনো বন্ধু জিজ্ঞেস করেন যে ঈদের দিন ঈদ মোবারক বলে শুভেচ্ছা বিনিময় করার বিধান কী? আদৌ এর কোনো প্রমাণ আছে? সংক্ষেপে এতটুকু বলা যায়, এ বিষয়ে নবীজি (সা.) থেকে স্পষ্ট কোনো কথা বর্ণিত হয়নি। অবশ্য এ বিষয়ে সাহাবায়ে কেরামের আমল কী ছিল, তা বিবৃত হয়েছে। ঈদের দিন তাঁরা পরস্পর শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন। এতে তাঁরা কোন বাক্য ব্যবহার করতেন? এর উত্তর শুনুন জুবাইর ইবনে নুফাইর (রা.) থেকে। তিনি বলেন, নবীজি (সা.)-এর সাহাবিরা ঈদের দিন একে অন্যের সঙ্গে দেখা হলে পরস্পর বলতেন, ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। অর্থাৎ ‘আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের পক্ষ থেকে কবুল করুন।’ হাফিজ ইবনে হাজার (রহ.) বলেন, বর্ণনাটির সনদ হাসান। (ফাতহুল বারি, ২/৪৪৬) ইবনুত তুরকুমানি হানাফি (রহ.) বলেন, এ প্রসঙ্গে আরেকটি হাদিস আছে, যা বায়হাকি (রহ.) উল্লেখ করেননি। সেটি হলো, মুহাম্মাদ ইবনু জিয়াদের বর্ণনা। তিনি বলেন, আমি আবু উমামা বাহিলি ও আরো কয়েকজন সাহাবির সঙ্গে ছিলাম। তাঁরা যখন ঈদগাহ থেকে ফিরতেন, তখন একে অন্যকে বলতেন, ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।’ আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.) বলেন, বর্ণনাটির সনদ জায়্যিদ। (আল জাওহারুন নাকি, ৩/৩২০-৩২১) ইবনে কুদামা (রহ.)-ও ইমাম আহমাদের এমন মন্তব্য উল্লেখ করেছেন। (আল মুগনি : ২/২৫৯) আলী ইবনে সাবিত (রহ.) বলেন, আমি ইমাম মালিক (রহ.)-কে ঈদের সময় ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম’ বলে লোকদের শুভেচ্ছা বিনিময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বলেন, আমাদের এখানে তো বিষয়টি এমনই চলে আসছে। (আল মুগনি, ইবনে কুদামা, ২/৫৯, আল হাওয়ি, সুয়ুতি : ১/৮২) শায়খুল ইসলাম হাফিজ ইবনে তাইমিয়া (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, ঈদ শুভেচ্ছার ক্ষেত্রে লোকমুখে প্রসিদ্ধ ‘ঈদ মোবারক’ বা এ জাতীয় বাক্যগুলোর শরয়ি কোনো ভিত্তি আছে কি? জবাবে তিনি বলেন, ঈদ শুভেচ্ছায় একজন আরেকজনকে দেখলে সালাতুল ঈদের পর ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম’, ‘আহালাহুল্লাহু আলাইক’—এ রকম কিছু বলা যায়। বস্তুত একদল সাহাবি এমনটা করতেন বলে বর্ণনা আছে। ফলে ইমাম আহমাদ প্রমুখের দৃষ্টিতে এ ধরনের বলতে কোনো অসুবিধা নেই। তবে আহমাদ (রহ.) বলেছেন, আমি নিজে থেকে আরম্ভ করি না, কেউ যদি বলে ফেলে, তাহলে উত্তর দিই। কেননা আগ বাড়িয়ে এমন শুভেচ্ছা বিনিময় করা সুন্নাহনির্দেশিত নয়। অবশ্য তা নিষিদ্ধ কোনো বিষয়ও নয়। তাই যে করবে, তার দলিল রয়েছে। যে করবে না, তার কাছেও দলিল রয়েছে। (আল ফাতাওয়াল কুবরা : ২/২২৮) আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল তাহতাওয়ি হানাফি (রহ.) বলেন, ঈদ শুভেচ্ছায় সিরিয়া, মিসর প্রভৃতি দেশের লোকেরা ‘ঈদ মোবারক আলাইক’—এ জাতীয় বাক্য বলতে অভ্যস্ত। সাহাবায়ে কেরাম থেকে বর্ণিত বাক্যের সঙ্গে এর মর্মগত মিল রয়েছে। ফলে সেটির মতো এটি বলাও জায়েজ ও ভালো কথা—এমন মন্তব্য করার সুযোগ আছে। (হাশিয়াতুত তাহতাওয়ি আলা মারাকিল ফালাহ শারহ নুরুল ঈজাহ, পৃ. ৫৩০) হাফিজ ইবনে হাজার (রহ.) ‘তাকাব্বালাল্লাহু’ বাক্য ব্যবহারের কোরআনিক একটি দলিল পেশ করেছেন। তাঁর ভাষায়—আল্লাহর যেকোনো নির্দেশ পালনের পর সেটি তাঁর কাছে গৃহীত হওয়ার জন্য দোয়া করা চাই। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে নবী ইবরাহিম (আ.) এবং নবী ইসমাইল (আ.) কর্তৃক কাবা গৃহ নির্মাণের পর তাঁদের অবস্থা তুলে ধরেছেন। সুরা আল বাকারার ১২৭ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘স্মরণ করো, যখন ইবরাহিম ও ইসমাইল কাবা গৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দোয়া করেছিল, পরওয়ারদিগার, আমাদের থেকে কবুল করো। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ।’ (আত তাহনিয়া ফিল আয়াদ, ইবনে হাজার, পৃ. ৪৪) এসব উদ্ধৃতি থেকে প্রতিভাত হচ্ছে, ঈদের শুভেচ্ছায় ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম’ বলাই শ্রেয়। কেননা সাহাবায়ে কেরাম এভাবে বলতেন। তবে ঈদ মোবারক, ঈদ সাঈদ ইত্যাদি বাক্য ব্যবহার করলেও কোনো অসুবিধা নেই। কারণ লোকেরা এটা ইবাদত হিসেবে করে না, শুভেচ্ছা ও সম্মান প্রদর্শনের একটি প্রচলিত অভ্যাস হিসেবেই করে। প্রসংগত বলা যায়, বর্তমান বিশ্বের অনেক স্বনামধন্য ইসলামিক স্কলারকেও এমন বাক্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে আরবের বয়োবৃদ্ধ শায়খ ড. ইউসুফ আল কারজাবি হাফিজাহুল্লাহ এবং শায়খুল ইসলাম আল্লামা তাকি উসমানি হাফিজাহুল্লাহর কথা তো উল্লেখ করাই যায়।

Don`t copy text!