ঢাকাশনিবার , ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্কুল ও বসতবাড়ি ঘেঁষে অনুমোদনহীন ইটভাটা, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ ১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

 

 

মোঃ হামিদুল ইসলাম
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে স্কুল ও বসতবাড়ির পাশেই পরিচালিত হচ্ছে অনুমোদনহীন ইটভাটা। ভাটা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া ও ধুলাবালিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে কৃষকেরা বলছেন, ইটভাটাটি চালুর প্রস্ততি নেওয়া হচ্ছে, চালু হলে আশপাশের ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার চাক্তাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানার অদূরেই অবস্থিত মেসার্স ডিজিএল ব্রিকস। বিদ্যালয় ও আশপাশের বসতবাড়ির এত কাছে ভাটা স্থাপিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, ভাটাটি চালু হলে কালো ধোঁয়া ও উড়ে আসা ধুলাবালি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়ে। এতে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটে এবং অনেক শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্ট, কাশি ও চোখ জ্বালাপোড়ার সমস্যায় ভোগে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছু স্থানীয় কয়েকজন বলেন, প্রায় সাত-আট বছর ধরে ভাটাটি পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিবছরের মতো এবারও ইট পোড়ানোর প্রস্তুতি চলছে। তাদের দাবি, ভাটা চালুর পর ঘরবাড়িতে ধুলার আস্তরণ পড়ে, গাছে ফলন কমে যায় এবং ফসলি জমির উর্বরতা হ্রাস পায়। ধুলাবালির কারণে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে ইটভাটা স্থাপনে বিধিনিষেধ রয়েছে।

এ বিষয়ে চাক্তাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে কয়েকবার বিদ্যালয়ে গিয়ে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

ডিজিএল ব্রিকসের মালিক সাইফুর রহমান বাবলুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোক্তার হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ রেজাউল করিম বলেন, ডিজিএল ব্রিকসের কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই। গত বছর ভাটাটিকে জরিমানা করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ির মাঝখানে হওয়ায় আমরা কোনো ছাড়পত্র দেইনি। রৌমারীতে কাগজপত্রহীন ছয়টি ভাটায় ইট পোড়ানো শুরু হলে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

Don`t copy text!