ঢাকাসোমবার , ১৭ আগস্ট ২০২৬
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নওগাঁর মান্দায় শিশুদের ড্যান্ডি নেশা করানোর সাইকেল মেকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রতিবেদক
Sagar Chandra
আগস্ট ১৭, ২০২৬ ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

উজ্জ্বল কুমার, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

​নওগাঁর মান্দা উপজেলার দেলুয়াবাড়ী বাজারের এক সাইকেল মেকারের বিরুদ্ধে শিশুদের পলিথিনে সলিউশন আঠা দিয়ে ড্যান্ডি নেশায় আসক্ত করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে অন্তত চার শিশু নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছে এবং তাদের লেখাপড়াও বন্ধ হয়ে গেছে।

​রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে মান্দা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ড্যান্ডি নেশায় আসক্ত শিশু ফয়সাল হোসেনের বাবা সোহেল রানা।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সোহেল রানা জানান, তাঁর ছেলে ফয়সাল হোসেন মাঝে-মধ্যে সাইকেল মেরামতের কাজের সুবাদে দেলুয়াবাড়ী বাজারের সাইকেল মেকার আব্দুল জলিলের দোকানে যেত। এভাবে যাওয়া-আসার সুযোগে আব্দুল জলিল পলিথিনে সলিউশন আঠা দিয়ে ফয়সালকে নেশায় আসক্ত করেন। একপর্যায়ে ওই শিশুকে দিয়ে বাসা থেকে কাঁসার থালা, বাটি ও গ্লাস চুরি করে আনানো হতো এবং এর বিনিময়ে তাকে সলিউশন আঠা দেওয়া হতো বলে অভিযোগ করা হয়।

​পরিবারের দাবি, নেশায় আসক্ত হওয়ার পর ফয়সাল বাড়িতে থাকা ডেকোরেটর ব্যবসার প্রায় দেড় লাখ টাকা মূল্যের বৈদ্যুতিক তার পরিবারের অগোচরে নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দেয়। এমনকি সম্প্রতি সাড়ে সাত হাজার টাকা মূল্যের একটি সাইকেলও মাত্র ৯০০ টাকায় অভিযুক্ত আব্দুল জলিলের কাছে বিক্রি করে সে। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করলে ফয়সাল মেকার আব্দুল জলিলের কাছে সাইকেল বিক্রির কথা স্বীকার করে।

​সোহেল রানা আরও অভিযোগ করেন, গত বৃহস্পতিবার এসব বিষয়ে আব্দুল জলিলের কাছে কৈফিয়ত চাইতে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

​সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, ওই ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে আব্দুল জলিল মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে সোহেল রানা ও তাঁর স্বজনদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি এ ঘটনার একটি কাল্পনিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

​স্থানীয় সূত্র জানায়, শুধু ফয়সাল একা নয়; জিহাদ, রাসেল ও তানভির নামের আরও তিন শিশুও আব্দুল জলিলের সংস্পর্শে এসে ড্যান্ডি নেশায় জড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে ওই শিশুদেরও পড়াশোনা চিরতরে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

​সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং অভিযুক্ত আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানানো হয়। এ সময় দেলুয়াবাড়ী বাজারের ব্যবসায়ী লালচাঁদ শেখ, আনোয়ার হোসেন ও লিটন হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

​এদিকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সাইকেল মেকার আব্দুল জলিল বলেন, “মারধর ও চাঁদাবাজির ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

Don`t copy text!