উজ্জ্বল কুমার
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় আগুনে পুড়ে নিহত নওগাঁর সাতজনের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর তাদের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার সকালে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে একসঙ্গে সাতজনের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে সৌদি আরবের অগ্নিকাণ্ডে নিহত নয়জনের মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। ওই নয়জনের মধ্যে সাতজনের বাড়িই নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়।
প্রশাসনের সহায়তায় বিমানবন্দর থেকে মরদেহগুলো রাত দেড়টার দিকে আত্রাই উপজেলায় নিয়ে আসা হয়। জানাজার নামাজে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান, আত্রাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় হাজারো মানুষ অংশ নেন।
জানাজা শেষে মরদেহগুলো নিহতদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে স্বজনরা মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামে নিয়ে যান।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, নিহতদের পরিবারগুলোকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ইতোমধ্যে সহায়তা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
উল্লেখ্য, সৌদি দূতাবাস থেকে পাঠানো তালিকায় শনাক্ত হওয়া নওগাঁর নিহত সাত প্রবাসী হলেন—আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে মো. ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামাণিক, একই গ্রামের গুফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন আলী ও সুমন আলী, বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের তমেজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার।

