নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবকে সার্বজনীন, শান্তিপূর্ণ ও পবিত্র ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ৮ দফা সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে ‘বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট’। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে দেশের প্রতিটি ইউনিটকে এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাজীব চন্দ্র সাহা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনাগুলো জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ৮ দফা নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে:
১. মনিটরিং সেল গঠন: পূজা চলাকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিটি ইউনিটে সক্রিয় ‘স্বেচ্ছাসেবক ও মনিটরিং সেল’ গঠন করা।
২. তথ্য ও সেবা ক্যাম্প: গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল পূজা মণ্ডপের সামনে সাধারণ দর্শনার্থী, বয়স্ক ও পুণ্যার্থীদের সহায়তায় ‘তথ্য ও সেবা ক্যাম্প’ স্থাপন।
৩. বিশেষ পরিদর্শন কমিটি: মণ্ডপগুলোতে সঠিক ধর্মীয় চেতনা ও নির্দেশনা পৌঁছে দিতে অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীলদের সমন্বয়ে ‘বিশেষ পরিদর্শন কমিটি’ গঠন।
৪. প্রশাসনের সাথে সমন্বয়: স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদযাপন কমিটির সাথে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা।
৫. জরুরি হটলাইন: কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য হটলাইন ও কন্ট্রোল রুম চালু রাখা।
৬. অপসংস্কৃতি ও মাদক প্রতিরোধ: পূজা মণ্ডপ এলাকায় অপসংস্কৃতি, জুয়া বা মাদক সেবন প্রতিরোধে স্থানীয় যুবসমাজকে সাথে নিয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখা।
৭. নারী নিরাপত্তা: নারী দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও হয়রানি রোধে মহিলা উইংয়ের কর্মীদের সম্পৃক্ত করে বিশেষ স্বেচ্ছাসেবক টিম মোতায়েন করা।
৮. সাইবার নজরদারি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানিমূলক তথ্য বা গুজব ছড়িয়ে যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট না হয়, সেজন্য আইটি সেল ও তরুণদের নিয়ে কঠোর সাইবার নজরদারি রাখা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, শারদীয় দুর্গোৎসব হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে দেশবাসীকে একটি নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল উৎসব উপহার দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সংগঠনটি।

