স্বপন কুমার রায়, খুলনা ব্যুরো প্রধান
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা আজ (সোমবার) দুপুরে জেলা প্রশাসক আ. স. ম জামশেদ খোন্দকারের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জানানো হয়, ২৬ মার্চ উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে গল্ল¬ামারী শহিদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হবে। প্রত্যুষে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিবসের শুভ সূচনা করা হবে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকা দ্বারা সজ্জিত করা হবে। সকাল সাড়ে আটটায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। পরে একই স্থানে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, বিএনসিসি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কারারক্ষী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের নিয়ে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। সকাল সাড়ে ১১টায় খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে।
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সুবিধাজনক সময়ে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি/বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে ২৫ মার্চ গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাদজোহর বা সুবিধাজনক সময়ে সকল মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান এবং মন্দির, গীর্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। ২৫ মার্চ রাত ১০টা ৩০ থেকে ১০টা ৩১ পর্যন্ত এক মিনিটের জন্য প্রতীকি ব্ল্যাক-আউট (কেপিআই ও জরুরি স্থাপনা ব্যতীত) পালিত হবে।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শেখ ইমরান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-সহ কমিটির সদস্যগণ অংশ নেন।

