বিশেষ প্রতিনিধি
নোয়াখালী-১ (চাটখিল–সোনাইমুড়ী): আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী-১ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন হতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম। জনসম্পৃক্ততা, ব্যক্তিগত অর্থায়নে পরিচালিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং মাঠপর্যায়ে শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান—ভোটের মাঠে শেষ কথা বলবে জনগণ।
রোববার চাটখিলে নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জহিরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চাটখিল ও সোনাইমুড়ীর মানুষের সুখ–দুঃখে পাশে থেকে তিনি যে আস্থা অর্জন করেছেন, তা কোনো অপপ্রচার বা রাজনৈতিক কৌশলে নষ্ট করা যাবে না। তাঁর ভাষায়, নোয়াখালী-১ আসনের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়—চায় সৎ, মানবিক ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব।
তিনি দাবি করেন, বিগত বছরগুলোতে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে গৃহনির্মাণ, চিকিৎসা সেবা, ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, মেধাবীদের উপবৃত্তি প্রদান,বেকারদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ, মহীলাদের জন্য সেলাই প্রশিক্ষন এবং প্রধান সড়ক নির্মাণসহ নানা সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজ তিনি বাস্তবায়ন করেছেন। অন্য প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যদি কেউ আমার মতো নিজস্ব অর্থ ব্যয় করে চাটখিল–সোনাইমুড়ীর মানুষের জন্য কাজ করেন বা সেই প্রতিশ্রুতি দেন, তবে আমি তাঁদের সমর্থন দিতে প্রস্তুত। আর তা না হলে আসুন, ঐক্যবদ্ধভাবে তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করি।”
জহিরুল ইসলাম আরও বলেন, তাঁদের রাজনীতির লক্ষ্য ক্ষমতার ভোগ নয়, বরং সাধারণ মানুষের সেবক হয়ে ইনসাফ ও ন্যায়ের ভিত্তিতে একটি মানবিক ও আলোকিত চাটখিল–সোনাইমুড়ী গড়ে তোলা।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাঠে জহিরুল ইসলামের সক্রিয় উপস্থিতি ও জনসমর্থন নোয়াখালী-১ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা অন্যান্য প্রার্থীদের জন্য স্পষ্টভাবে বাড়তি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

