বাইজিদ মন্ডল, দক্ষিন চব্বিশ পরগনা:-
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বাংলার বাড়ি আবাসের প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকতেই কাটমানির অভিযোগ। উপভোক্তাদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠল স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদ করায় ও সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলায় গত কয়েক দিন আগে আক্রান্ত হলেন মগরাহাট পশ্চিমে আই এস এফ নেতা আজিজ আল হাসান। গুরুতর ভাবে তার নাকে,মুখে ও মাথায় আঘাত পায়,তাঁকে স্থানীয় এক নার্সিং হোমের ভর্তি করা হয়েছিল, এখন সে কিছুটা সুস্থ্য অবস্থায় আছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার কালিকাপোতা অঞ্চলের সংগ্রাম পুর গ্রামে।
Isf নেতা আজিজ আল হাসান এর অভিযোগ, জোর করে কারও কাছে ১০ হাজার, কারও কাছে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বহু জনের কাছে থেকে নেওয়া হচ্ছে। তারই প্রতিবাদ করাতে এই আক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে গ্রামজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। Isf নেতা তিনি আরো বলেন,খোদ তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূল নেতৃত্ব উপভোক্তাদের বোঝান যে, আপনারা কেউ ভয় পাবেন না,কাউকে টাকা দেবেন না।
যদিও সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে মুখ খোলায় স্থানীয় isf নেতাকে মারধর করা হয়।তিনি আরো বলেন,সংগ্রাম গ্রামের আবাসের উপভোক্তারা তাঁরা দিনমজুরি করে সংসার চালান। তাই আবেদনের পর সরকারি বাড়ির টাকা এসেছে। কিন্তু টাকা অ্যাকাউন্টে আসার পরই এখানকার কয়েকজন তৃনমূল কর্মী উপ ভোক্তাদের কাছে থেকে টাকা চাইছে। ভয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করতে পারছেন না। তবে আতঙ্কিত হওয়াটাও স্বাভাবিক। কারণ এই জুলুমবাজি নিয়ে প্রতিবাদ করায় ISF নেতাকে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রশ্ন উঠছে তাহলে সাধারণ মানুষ যাবেন কোথায়? তবে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, যারা এই ধরনের কাজ করছে, তারা দলের কেউ নয়। আমাদের নেত্রী এই ধরনের কাজ সমর্থন করেন না। আমরা উপভোক্তাদের পাশে আছি। যদিও অভিযুক্তরা জানিয়েছেন, পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। তিনি কোনও টাকা নেননি।
এনিয়ে বিরোধী অন্যান্য দল থেকেও তৃণমূলকে আক্রমন করতে ছাড়েনি। তাদের দাবি, এটাই তৃণমূলের কালচার। যে সরকারি প্রকল্পেই কাটমানি দিতে হচ্ছে।

