মোঃ মাসুদ রানা,কচুয়াঃ
মেধা, নিষ্ঠা ও সংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কচুয়া উপজেলার বজুরিখোলার কৃতি সন্তান মোঃ আবু সাইদ (এম এ সাইদ)। তাঁর এই অর্জনে গর্বিত কচুয়াবাসীসহ ছাত্রসমাজ।
এম এ সাইদের জন্ম চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার বজুরিখোলা গ্রামে। তাঁর বাবা মরহুম আজগর আলী স্বর্ণকার ও মাতা রৌশনারা বেগম। পারিবারিকভাবে সাধারণ হলেও শিক্ষার প্রতি গভীর আগ্রহ ও সচেতনতা তাঁকে গড়ে তুলেছে একজন দায়িত্বশীল ছাত্রনেতা হিসেবে।
শিক্ষাজীবনে তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগ থেকে বিএ ও এমএ সম্পন্ন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীদের অধিকার, ন্যায্যতা ও গবেষণাভিত্তিক ছাত্ররাজনীতির পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ ও গবেষণামুখী চিন্তাভাবনার কারণে তিনি সংগঠনের ভেতরে দ্রুত আস্থা অর্জন করেন।
ছাত্র অধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে এম এ সাইদ শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ এবং তথ্যনির্ভর আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরে কাজ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে তথ্য ও গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় এম এ সাইদ বলেন,
“এই দায়িত্ব আমার জন্য সম্মানের পাশাপাশি বড় দায়িত্ব। ছাত্র অধিকার পরিষদকে আরও শক্তিশালী ও তথ্যভিত্তিক সংগঠনে পরিণত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
তাঁর এই সাফল্যে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ছাত্রসংগঠনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, এম এ সাইদ তাঁর মেধা ও গবেষণাভিত্তিক নেতৃত্ব দিয়ে জাতীয় পর্যায়ে কচুয়ার ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবেন।

