মোঃ হামিদুল ইসলাম
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে মানবিক সহায়তার নতুন ঘর পেয়েছেন তিন সন্তানের জননী ষাটোর্ধ বৃদ্ধা দুর্গাময়ী। স্বামীর রেখে যাওয়া জরাজীর্ণ একটি ঘরে বসবাসকরত দুর্গাময়ী। সেই পুরোনো ঘরের জায়গায় আঠারো ফিটের নতুন ঘর পেয়ে খুশিতে দাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দুর্গাময়ী বলেন,আমার একটিমাত্র ঘর,সেটাও নড়বড়ে।নেই খুঁটি,নেই ভাল চাল।বৃষ্টিবাদলে ভীষণ আতংকে থাকতাম আর ভাবতাম কখন যানি পড়ে যায় একমাত্র মাথাগোঁজার ঠাই।বিভিন্ন জনের কাছে একটা ঘরের আবদার রাখলে সেই স্বপ্ন আমার পুরণ করলো ডলার আবেদীন ভাই। আমার প্রতিবেশী সাংবাদিক এনামুলকে বলছিলাম একটি ঘরের জন্য। সে ডলার আবেদীন ভাইয়ের সহযোগিতায় নতুন ঘরটিতে এখন থাকতে পারি।বাকি জীবনে আমার ঘরের আর প্রয়োজন নেই। স্বামীর রেখে যাওয়া বসতভিটা রক্ষার আইনি লড়াইয়ের খরচ ও দুবেলা ভাতের জন্য এখনো আমি অন্যের বাড়ী ও খামারে কাজ করি।যারা আমার মতো অসহায়কে একটি নতুন ঘর উপহার দিয়েছেন ভগবান তাদের মঙ্গল করুক।দুর্গাময়ী রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়নের কিসামত নাখেন্দা গ্রামের বাসিন্দা মৃত জবিকান্তের স্ত্রী তিন সন্তানের জননী।সাংবাদিক এনামুল হক সরকার বলেন আমার প্রতিবেশী দুর্গা বৌদি একজন অসহায় মানুষ।এই বয়সেও কাজে যেতে হয়।পরিশ্রমের অর্থে খাবার ও বসতি রক্ষার লড়াই করেন।তার নড়বড়ে ঘরটিতে বসবাসের উপযুক্ত নয়।পরবর্তীতে আমি ঢাকাস্থ কুড়িগ্রাম সমিতির সাবেক মহাসচিব ডলার আবেদীন ভাইকে বলি।কিছুদিন পরে তিনি ঘরের কাজ শুরু করতে অর্থ সহায়তা শুরু করেন। উনাদের সহযোগীতায় মাথা তুলে দাড়িয়েছে দুর্গাবৌদির স্বপ্নের একটি নতুন ঘর।
ঢাকাস্থ কুড়িগ্রাম সমিতি, ঢাকার সাবেক মহাসচিব ডলার আবেদীন ভাই বলেন, আমি শুধু সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছি। দীর্ঘদিনের চলাফেরায় সমাজের সম্পর্কিত পরিচিত মানবিক মানুষগুলির সহায়তায় যতটুকু পারি সামাজিক কাজগুলি করার চেস্টা করি।দিদির ঘরের জন্য মানবিকভাবে এগিয়ে এসেছেন ড.বিকাশ দাস ,ইঞ্জিনিয়ার রুবেলুজ্জামান বিদ্যুৎ,রেহেনা ইয়াসমিন মলি, আতাউর রহমান সিআইপি,সাকিকুল ইসলাম টিটু ও আমি ডলার আবেদীনের অর্থায়নে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে শিকড়ের টানে ভালবাসার ছোঁয়া।

