ঢাকাসোমবার , ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কর্মজীবী মানুষ ও গবাদিপশু পৌষের হাড় কাঁপানো শীতে কাহিল

প্রতিবেদক
majedur
ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ ৬:০৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ হামিদুল ইসলাম
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

দেশের উত্তরাঞ্চলের মধ্যে রাজারহাটে কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা পড়েছে। শৈত্যপ্রবাহের কারণে সকাল-বিকেল ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে সবকিছু। সূর্যের দেখা না মেলায় দিনের বেলাও রয়েছে শীতের তীব্রতা রাজারহাট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, অঞ্চলটির বিভিন্ন জায়গায় তাপমাত্রা ১২–১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেছে।  সোমবার কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।  বাড়ছে শীতজনিত রোগ।  কুয়াশায় রাস্তার দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় সড়ক পথে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। স্কুলগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ এবং নিত্যদিনের শ্রমজীবী জনগণের ভোগান্তি বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।

শীতের প্রকোপে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে নিম্নআয়ের মানুষ, বিশেষ করে দিনমজুর, বৃদ্ধ, শিশু ও অসুস্থরা। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।রাজারহাটের অনেক চরাঞ্চল থেকে  সরকারি   স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোর  দুরত্ব ও যোগাযোগ ব্যবস্থা তেমন ভালো না থাকায় রোগীদের স্বাস্থ্যসেবায় ব্যহত হচ্ছে। পল্লী চিকিৎসকের কাছেই নিতে হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা।  কেউ কেউ খড়কুটোর আগুন জ্বালিয়ে কিছুটা শীত নিবারনের চেষ্টা করছে।

সচেতন মহল বলছেন   চলতি শৈত্যপ্রবাহে সাধারণ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোর উদ্যোগ নেওয়া  জরুরি হয়ে পড়েছে। তীব্র শীতের কারণে গবাদিপশু গুলোও রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে।বেড়ে চলছে ঠান্ডা জনিত রোগ।

খামারিরা বলছে তীব্র শীতের কারণে গবাদিপশুর নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডা জনিত রোগের আশঙ্কায় এসময় রাতের বেলায় গবাদিপশুকে চট ছালা গায়ে দিতে হচ্ছে  শুকনো এবং গরম জায়গায় রাখতে  হচ্ছে।  হাসপাতালে ঠান্ডা জনিত প্রতিনিয়ত   বাড়তে শুরু করেছে বলে হাসপাতালগুলো সূত্রে জানা গেছে।

Don`t copy text!