ঢাকাশনিবার , ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পাশে মানবিক সহায়তায়,আলীকদম জোন

প্রতিবেদক
admin
ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫ ৩:১৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বেলাল আহমদ,বান্দরবান।

পার্বত্য অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন। শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের মূলমন্ত্রকে ধারণ করে আজ আলীকদম জোন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর জন্য দিনব্যাপী এক বিশেষ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে।

নবনির্মিত কিয়াং ঘরের উদ্বোধন, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের মতো বহুমুখী জনহিতকর কার্যক্রমে আলীকদমবাসীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
১২ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১১টায় নবনির্মিত কিয়াং ঘর উদ্বোধনের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে আলীকদম জোনের পক্ষ থেকে কিয়াং পরিচালনা কমিটির হাতে ২০,০০০.০০ (বিশ হাজার টাকা) টাকার আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়। একইসাথে এলাকার প্রবীণ নাগরিক এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মাইনপ্রুক জিংক্সে-এর জন্য বিশেষ উপহার সামগ্রী ও কিট বিতরণ করা হয়।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পাড়ায় আয়োজন করা হয় একটি বিশেষ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প। এই ক্যাম্পে ২৭৫ জন পাহাড়ি ও বাঙালি রোগীকে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পরামর্শ এবং ১৫,২০০ টাকা সমমূল্যের প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করা হয়। সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে দুর্গম এলাকার মানুষের মুখে স্বস্তির হাসি ফুটে ওঠে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুরুকপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপং মুরং এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর সুষম উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতায় আমরা একটি স্বনির্ভর ও শান্তিপূর্ণ আলীকদম গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। আজকের এই আয়োজন আমাদের সেই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।”

সেনাবাহিনীর এমন জনবান্ধব উদ্যোগ স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং পারস্পরিক আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

Don`t copy text!