ভোলা প্রতিনিধিঃ
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশিভূষণ থানার জাহানপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে আব্দুল কাদেরের স্ত্রী লিমা বেগমকে পিটিয়ে হত্যার ৭৮ দিন পার হলেও মামলায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
এমন অভিযোগ মামলার বাদী নুর জাহান বেগমের। তবে পোস্টমর্টেম রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে মামলার তদন্তকারী অফিসার এমন তথ্য পাওয়া গেছে। মামলায় নিহত লিমার স্বামী আব্দুল কাদেরসহ মোট মোট ৪ জনকে আসামী করা হয়েছে। নিতহ লিমার মা নুর জাহান বেগম বাদী হয়ে দন্ড বিধি আইনের ৩০২/ ৩৪ ধারায় চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি শশীভূষণ থানার ওসিকে এফআইয়ার করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ রোজ বুধবার রাত ১১ টায় নিহত লিমার স্বামী আব্দুল কাদেরের বসত ঘরে লিমাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলাটি করেছেন এমনটি জানান মামলার বাদী নুরজাহান বেগম। যাহা শশীভূষণ থানার মামলা নম্বর-৪, তারিখ ১৯ অক্টোবর ২০২৫ ইং। নিহত লিমার মা একই উপজেলার মিয়াজানপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সামরাজ এলাকার পাটোয়ারী বাড়ীর নুরজাহান বেগম অভিযোগ করে বলেন, গত ৩ বছর আগে শরিয়াহ মোতাবেক একই উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের আব্দুল কাদেরের সাথে তার মেয়ে লিমার বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে তাদের কাছ থেকে যৌতুক দাবী করেন তার মেয়ের জামাই আব্দুল কাদের। মেয়ের জামাই আব্দুল কাদেরের দাবী মোতাবেক একাধিকবার যৌতুকের টকা পরিশোধ করেন তারা। ফের যৌতুকের টাকার জন্য তার মেয়ে লিমার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় তার মেয়ের জামাই আব্দুল কাদের।
একপর্যায়ে তার মেয়ে লিমাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ঘরে আটকিয়ে রাখেন তার মেয়ের জামাই আব্দুল কাদেরসহ তার পরিবার। কিছুক্ষণ পরে তার মেয়ে লিমার মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পায় তারা। ঘটনাস্থলে শশীভূষণ থানা পুলিশ পৌছায়। লিমার মরদেহ পোস্টমর্টেম করা হয়। মরদেহ দাফনের আগে গোসল করানোর সময় শরিলে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখেন তারা।
অন্যদিকে মামলার আসামী আব্দুল কাদেরের কাছে হত্যার ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে লিমাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এমনটি দাবীকরে মামলার আসামীদেরকে গ্রেফতার করার দাবীসহ বিচার চেয়েছেন মামলার বাদী নুরজাহান বেগম।

