সিরাজুল ইসলাম কমলনগর(লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি- লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে বিএনপির মনোনীত সাবেক ২বারের সংসদ সদস্য আশ্রাফ উদ্দিন নিজানকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসাবে ধানের শীষে মনোনয়ন না দেওয়ায় রামগতি-কমলনগরের বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্নভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
আশ্রাফ উদ্দিন নিজান সাবেক সংসদ সদস্য ছাড়াও কেন্দ্রীয় বিএনপির শিল্পও বানিজ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। গত ৩ নভেম্বর সোমবার বিকেলে ঢাকার গুলশানে অবস্থিত বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিকভাবে ধানের শীষে মনোনীত ২৩৭ জনের তালিকা ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ দীর্ঘ তালিকায় সাবেক সাংসদ আশ্রাফ উদ্দিন নিজানের নাম না থাকার পরই এআসনে বিএনপির নেতাকর্মীদের কপালে দুশ্চিন্তার চাপ দেখা দিয়েছে। গত ২৪এর আগস্টের পর থেকে ধানের শীষের একক প্রার্থী হিসাবে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে এ আসনের প্রত্যেকটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে উঠান বৈঠকসহ নানা সভা সেমিনারের মাধ্যমে সকল নেতাকর্মীকে উর্যেবিত করেছেন।
উপজেলা যুবদলের সদস্য এড. ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা এবিএম আশরাফ উদ্দীন নিজান সাহেবের নেতৃত্বে স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধী আন্দোলন করেছি, সে আন্দোলন করতে গিয়ে রামগতি-কমলনগরে হাজার হাজার বিএনপির নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। সকল মামলার খরচ তিনি বহন করেছেন। আজকে যিনি নিজেকে জোটের প্রার্থী হিসাবে প্রচার করছে ২০১৮ সালে নির্বাচনের পর থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা তার ছায়াও রামগতি-কমলনগরের মানুষ দেখে নাই।
কমলনগর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী বলেন, গত ১৭টি বছর রামগতি-কমলনগরে একশো এর বেশি মামলায় প্রায় ২০হাজার নেতা-কর্মী আসামী হয়েছে। এর মধ্যে ১৩হাজার নেতা-কর্মী জেল খেটেছে। এবং নির্যাতনে ৪জন মৃত্যু বরণ করেছে। যারা বিগত দিনে জোটের নামে রামগতি-কমলনগরের মানুষের সাথে তামাশা করছে তাদের মাঠ থেকে শূণ্যে হাতে ফিরতে হবে। তাই এখনো দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ থাকবে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে দলের একক প্রার্থী এবিএম আশরাফ উদদিন নিজানকে ধানের শীষ প্রতিকে মনোনয়ন দেয়া হোক।
দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে ও আগামীর নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে এবিএম আশরাফ উদদিন নিজান বলেন, গত ২বছর থেকেই জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রামগতি-কমলনগরে ৪২হাজার নেতা-কর্মীকে সাথে নিয়ে মাঠে কাজ করছি। পরিবার পরিজন ছেড়ে রামগতি-কমলনগরে গত ১৪মাসে ১৬২ওর্য়াডে মহিলা সভা করতেছি। এবং নির্বাচনী প্রচারে পাড়া-মহল্লায় গ্রামের চায়ের দোকান, হাট-বাজারে মানুষের সাথে গনসংযোগ করছি। আমি এখনো আশাবাদী বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমার কষ্টের মূল্যায়ন করবেন।

