রিপোর্টার: আব্দুল মতিন মুন্সী
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষে ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে মনোনীত হয়েছে কাদিরদী কলেজ। শিক্ষা, শৃঙ্খলা, ফলাফল, সাংস্কৃতিক ও সহপাঠ কার্যক্রমে অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
শনিবার (১লা নভেম্বর ২০২৫) ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে কাদিরদী কলেজের অধ্যক্ষ মো. নুরুজ্জামান মিয়া-এর হাতে শ্রেষ্ঠ কলেজের সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন জেলা প্রশাসক।
অধ্যক্ষ মো. নুরুজ্জামান মিয়া বলেন,
“এই সাফল্য কাদিরদী কলেজ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আমরা শিক্ষার মানোন্নয়ন, নৈতিকতা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার প্রসারে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কলেজের স্বীকৃতি অর্জনই আমাদের লক্ষ্য।”
কলেজের শিক্ষক মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন,
“এই অর্জন আমাদের দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের ফল। শিক্ষার্থীদের সফলতা ও শিক্ষকদের আন্তরিকতা এ স্বীকৃতিকে সম্ভব করেছে।”
আরেক শিক্ষক মো. লিয়াকত আলী বলেন,
“কাদিরদী কলেজ সবসময় মানসম্মত শিক্ষা ও শৃঙ্খলার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। দলবদ্ধভাবে কাজ করার ফলেই আজ এ গৌরব অর্জন সম্ভব হয়েছে।”
অভিভাবক প্রতিনিধি সৈয়দ ফারুক হোসেন বলেন,
“কাদিরদী কলেজ ফরিদপুর জেলার শিক্ষার মান উন্নয়নে অসাধারণ ভূমিকা রাখছে। শ্রেষ্ঠ কলেজের সম্মান পাওয়া আমাদের সবার জন্য গর্বের।”
শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মোছাঃ তানিয়া আক্তার বলেন,
“আমাদের কলেজের এই অর্জন আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা জাতীয় পর্যায়ে সফলতা অর্জনে চেষ্টা চালিয়ে যাব।”
দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন,
“শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ও আমাদের পরিশ্রমের ফলেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমরা এই সাফল্য ধরে রাখতে চাই।”
একাদশ শ্রেণির ছাত্রী মোছাঃ নুসরাত জাহান বলেন,
“আমরা গর্বিত যে আমাদের প্রতিষ্ঠান জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি আমাদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহ জোগাবে।
উল্লেখ্য, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষাবান্ধব ব্যক্তিকে বাছাই করা হয়। মূল্যায়নের নানা ধাপ শেষে ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে মনোনীত হয় কাদিরদী কলেজ।
এ সাফল্যে কলেজ প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীরা কেক কেটে, আনন্দ মিছিল ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে এ অর্জন উদযাপন করেন।

