পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।
পটুয়াখালী বাউফল উপজেলা খাদ্য অফিসের দুই চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম – দূর্নীতি করার খবর পাওয়া গেছে। সুত্রে জানা গেছে, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর চালের কার্ড পরিবর্তনের নামে নওমালা ইউপির ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সুবিধা ভুগীদের থেকে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে নিয়মবহির্ভূত ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছেন তাঁরা। সুত্রে আরও জানা গেছে, তাঁরা বাউফল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (অঃদাঃ)’র নির্দেশে এ কর্মসূচির তালিকাভূক্ত সুবিধা ভুগীদের কাছ থেকে কার্ড পরিবর্তনের নামে জনপ্রতি উক্ত অর্থ হাতানো হয় বলে জানা যায়। আর মাঠ পর্যায়ে এ অর্থ তাদের থেকে তুলে বাউফল খাদ্য অফিসে দিচ্ছেন নওমালা ইউপির ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আঃ আজিজ ( মেম্বার) এমনটাই সুত্রে জানা যায়।এদিকে বাউফল খাদ্য অফিসে বসে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর সুবিধা ভুগীদের চালের কার্ড পরিবর্তন করার জন্য নতুন কার্ড লিখে দিচ্ছেনএ অফিসের খন্ডকালীন ঝাড়ুদার আসাদুজ্জামান রনি বলে সুত্রে জানা যায়। আর অন্যদিকে তাদের এ কাজের জন্য উক্ত অংকের টাকা গ্রহণ করছেন কালাইয়া গোডাউনের নিরাপত্তা প্রহরী ও বর্তমানে বাউফল খাদ্য অফিসে সংযুক্তিতে কর্মরত মোঃ সাইদুর রহমান বলে সুত্রে জানা যায়। ২৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ২০০ শত ও ২৭ সেপ্টেম্বর শনিবার ১৫০ শত খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর চালের নতুন কার্ড বাউফল খাদ্য অফিস থেকে স্বাক্ষর হয়ে উক্ত সাবেক ইউপি সদস্যর হাতে যায় বলে সুত্রে জানা যায়।
আরও জানা গেছে, বাউফলের অন্য কোনও ইউনিয়নে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর চালের কার্ড পরিবর্তনের কোনও ঘোষণা কিংবা দৃশ্যমান কার্যক্রম চোখে না পড়ায় এ নিয়ে ভুক্তভোগীদের মনে নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়। কালাইয়া গোডাউনের নিরাপত্তা প্রহরী ও বর্তমানে বাউফল খাদ্য অফিসে সংযুক্তিতে কর্মরত মোঃ সাইদুর রহমান এর মুঠোফোনে এ বিষয় জানতে কল দিলে তিনি ফোন কল রিসিভ করে বলেন ব্যস্ত আছি,এই কথা বলে তিনি মুঠোফোনের সংযোগ করে দেন।
এজন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি। বাউফল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ( অঃ দাঃ) মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার এর মুঠোফোনে এ ব্যাপারে জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও প্রতি বারই তাঁর ফোন কল ব্যাস্ত পাওয়া যায়। এজন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

