*বাইজিদ মন্ডল দক্ষিন চব্বিশ পরগনা:-*
সাম্প্রতিক রাজ্যে সংখ্যালঘুদের ওপর সাম্প্রতিক দমনপীড়ন বেড়ে যাওয়ায় ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) উদ্বেগ প্রকাশ করার পাশাপাশি,এই বিষয়ে রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনের ভূমিকা নিয়েও দল প্রশ্ন তুলেছে। সম্প্রীতি এদিন কলকাতায় দলের চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী কমিশনের চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ ইমরানের সঙ্গে দেখা করে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে সাম্প্রতিক কালে বেশ কিছু সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান দলের পক্ষ থেকে। স্মারক লিপি দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে,সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নওসাদ সিদ্দিকী বলেন, তামান্না নামের এক বাচ্চা মেয়ের খুনের ঘটনা থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য কিংবা মুসলমান বা অন্য কোন সংখ্যালঘু মানুষ হওয়ার জন্য মানুষ অত্যাচারিত, হেনস্থা হতে হচ্ছে। আমি এইসব বিষয়ে কমিশনের ভূমিকা কি সেটা জানতে চেয়েছি। বিধায়ক তিনি ক্ষোভের সুরে বলেন, এতগুলি ঘটনায় কমিশনের ভূমিকা খুবই নেতিবাচক। তবে চেয়ারম্যান আশ্বাস দিয়েছেন যে কমিশন কিছু ক্ষেত্রে তারা পদক্ষেপ নিয়েছে। তাছাড়া বেশকিছু জেলায় সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা বলবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান। নওসাদ সিদ্দিকী বলেন, কমিশনের কার্যকলাপের প্রতি আমাদের নজর থাকবে।
অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে আইএসএফ চেয়ারম্যান বলেন, ভোটার তালিকায় এস,আই,আর নিয়ে রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। একদিকে বলছে, এস,আই,আর করতে দেবে না, কিন্তু অন্যদিকে মুখ্য সচিব জেলাগুলিকে বলছেন, এসআইআর দ্রুতগতিতে করতে অবিলম্বে জেলাগুলিতে আধিকারিকদের শূণ্যপদ পূর্ণ করতে হবে। এই দ্বিচারিতা কেন? ইতিপূর্বে এসআইআর অনেকবার হয়েছে। দেখতে হবে যে বৈধ ভোটার বাদ না পড়েন। তিনি বলেন, বিহারে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিন্দাজনক,অনেক বৈধ ভোটার সেখানে বাদ গেছেন, পশ্চিমবঙ্গে এটা চলতে দেওয়া যাবে না।
স্বচ্ছতার নাম করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত কাজ করলে জোরালো প্রতিবাদ হবে বলে বিধায়ক তিনি মন্তব্য করেন। নেপালের টালমাটাল অবস্থা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, তাড়াহুড়ো না করে পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখতে হবে।

