আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস , স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য এই হত্যাকাণ্ড করেন। তাঁর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তখন দেশের বাইরে থাকায় তাঁরা বেঁচে যান।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতো। গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নতুন অন্তর্বর্তী সরকার দিবসটিতে সরকারি ছুটি বাতিল করে। এর আগেই অবশ্য গত ৫ আগস্ট দেশের ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে থাকা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িটিতে আগুন দেওয়া হয় এবং লুট করা হয় নানা ঐতিহাসিক স্মারক।
কেমন ছিল সেদিনের সেই সকালকেমন ছিল সেদিনের সেই সকাল
পরে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি ভারতে অবস্থান করা শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেন।
১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়াও হত্যা করা হয় তাঁর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, বড় ছেলে শেখ কামাল, তাঁর স্ত্রী সুলতানা কামাল, মেঝ ছেলে শেখ জামাল, তাঁর স্ত্রী রোজী জামাল, ছোট ছেলে শেখ রাসেল এবং ছোট ভাই শেখ আবু নাসেরকে।
ওই রাতে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি আক্রমণের পাশাপাশি শেখ ফজলুল হক মণি এবং আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাসাতেও আক্রমণ হয়। নিহত হন শেখ মণি ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তাঁর ১৪ বছর বয়সী মেয়ে বেবী, ১২ বছরের ছেলে আরিফ, চার বছরের নাতি বাবু, ভাতিজা শহীদ সেরনিয়াবাত, ভাগনে আবদুল নইম খান রিন্টু, তিন অতিথি এবং চারজন গৃহকর্মী।

