কমল পাটোয়ারি,মীরসরাই(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধিঃটেকসই সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারের অভাবে কার্পেটিং উঠে গিয়ে মীরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ-মুহুরী প্রজেক্ট সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় খানা খন্দকের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এছাড়াও এ সড়ক দিয়ে শত শত মাছবাহী ছোট বড় পরিবহণ ও শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ । সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জোরারগঞ্জ- মুহুরী প্রজেক্ট ১২ কিলোমিটারের সড়কটির প্রায় ৫-৭ কিলোমিটারের অংশে ভেঙ্গে গিয়ে ছোট-বড় গর্তে পরিনত হয়েছে। ছোট-বড় পিকআপ, বাস-ট্রাক, এ্যাম্বুল্যান্স, কার-মাইক্রো, স্কুলবাসসহ সিএনজি চালিত অটোরিক্সার চলাচল রয়েছে। সড়কে সৃষ্ট কর্দমাক্ত গর্তের কারণে কোন যানবাহনই স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারছে না। ১০ মিনিটের রাস্তা অতিক্রম করতে লেগে যাচ্ছে ৩০ মিনিট বা তার চেয়েও অধিক। এদিকে বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছে। একদিকে যেমন সড়কের ভোগান্তি অন্যদিকে সময় ও ভাড়ার বিড়ম্বনা। এমনটি জানিয়েছেন উক্ত সড়কে চলাচলকারী ভুক্তভোগীরা। জানা গেছে, জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ মৎস্য জোন মুহুরী প্রকল্পসহ ৪ ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত। এছাড়াও প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী জোরারগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। এই এলাকার মানুষ হাসপাতাল, দৈনন্দিন বাজারের এবং উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন এই সড়ক হয়ে।
অথচ সড়কের এই বেহাল অবস্থার কারণে তারা যথাসময়ে তাদের দৈনন্দিন কাজ করতে পারছেন না। আর এদিকে চলাচলরত যানবাহনগুলোর যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে কখনো সড়কে আটকে যাচ্ছে। আবার তারা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থও হচ্ছেন। সড়কের ভাঙ্গার কারণ হিসেবে দেখা যায়, মুহুরী প্রজেক্ট হচ্ছে চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ মৎস্য প্রকল্পের দীঘিগুলোতে প্রতিরাতে মাছ বাজারজাত করতে এই সড়কে ড্রামে পানি নিয়ে শত শত পিকআপ, ট্রাক চলাচল করে।
ফলে রাস্তা কোনভাবেই টেকসই হচ্ছেনা। এদিকে সড়কের এই দুরবস্থা দ্রুত সংস্কারের দাবী জানান স্থানীয়রা। এই সড়কে চলাচলকারী মোটরসাইকেল আরোহী সাইফুল ইসলাম বলেন, “সড়কটির অধিকাংশ স্থানে ভাঙ্গা এবং গর্তের কারণে চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে।” উক্ত সড়কে চলাচলরত ট্রাক চালক সালাউদ্দিন বলেন, ‘লোড় গাড়ী গর্তে পড়ে অনেক সময় বিকল হয়ে যায়। সড়কটির দ্রুত সংস্কার করলে আমাদের গাড়ী চালাতে সুবিধা হবে।

