মোঃ হোসেন গাজী।।
চাঁদপুর সদর উপজেলা বাগাদী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড ব্রাহ্মণ সাখুয়া ও বালিয়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী রাজার খালের উপর দীর্ঘ ৩০ বছরের পুরনো ব্রিজটি সংস্করারে অভাবে ভাঙ্গা ও ঝরাজীর্ন হয়ে আছে। যানবাহন ও এলাকা বাসীর চলাচলের এক মাত্র বাহন এই ব্রিজ টি।
শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ব্রিজের মাঝ অংশ ভেঙ্গে ইটের কংকার ও রড গুলো খালের নিচে পড়ে আছে। মাঝ খানে বড় ধরনের ফাঁকা, এতে জানবাহন ও এলাকা বাসীর চলাচলে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এতে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।বাগাদী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ মনির হোসেন বলেন- এই ব্রিজটি জাহাঙ্গীর গাজী বাড়ি জামে মসজিদের সামনে অবস্থিত। ব্রিজের মাঝ অংশ ভেঙ্গে গিয়ে এলাকাবাসীর চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই ঘটে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। ব্রিজটি দিয়ে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে স্থানীয় সহ জন সাধারনরা যাতায়াত করে আসছে। কখনও এই ব্রিজের রিপেয়ারিং সংস্কার কাজ করানো হয়নি। ধীরে ধীরে ব্রিজটি ধসে পড়ে যায়। ইউপি সদস্য মনির হোসেন আরো বলেন- বাগাদী ইউনিয়নের ব্রাহ্মন সাখুয়া গ্রামটি অনেক বড়। এখানে প্রায় ৭/৮ হাজার পরিবারের বসবাস। এই গ্রামে ২ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাগাদী গনি উচ্চ বিদ্যালয় আছে ও একটি আলিম মাদ্রাসা ও আছে। এই গ্রামটি বালিয়া বর্ডার হওয়াতে পাশে ফরক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজ,আলিম মাদ্রাসা,ফরক্কাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, বালিয়া হাই স্কুল, একটি দাখিল মাদ্রাসা ও কয়েকটি দ্বিনী প্রতিষ্ঠান ও সরকারি, বে সরকারি এনজিও সংস্থা সহ বহু সংখ্যক প্রতিষ্ঠান আছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবং বিভিন্ন কর্মকর্তারা ও এ ব্রিজ দিয়ে পারাপার করে আসছে। এটি একটি আঞ্চলিক সড়কের উপর দিয়ে বয়ে যায় এই ব্রিজটি। অন্যদিকে দান বাক্স থেকে মহসিন পাটওয়ারী ও বেপারী বাড়ি পর্যন্ত ইটের সলিং রাস্তা ধসে পড়ে যায়। ভারী বৃষ্টি পাত হওয়ায় ইটের সলিং রাস্তাও বিভিন্ন পুকুর পাড় দিয়ে ধসে পড়ে যায়। এতে সড়ক ও ব্রিজটির সংস্করণ কাজ করা হলে এখান কার মানুষের চলাচলে উপযোগী হবে বলে জানান। এদিকে স্থানীয় জাহাঙ্গীর গাজী, ইউসূফ গাজী, সাইফুল বেপারী, নাঈম বেপারী, বাবু গাজী, লতিফ বেপারী, এমদাদ মাষ্টার, আবুল খায়ের শেখ, বিল্লাল পাটওয়ারী, মোঃ করিম পাটওয়ারী, সলিম খন্দকার সহ বেশ কয়েক জন জানান- আমাদের চলাচলের খুব কষ্ট হচ্ছে। একদিকে ব্রিজটি ভেঙ্গে আছে। অন্যদিকে ইটের সলিং রাস্তাটি ও বিভিন্ন জায়গায় ধসে আছে। একজন মানুষ অসুস্থ হলে, দরোগী কে কীভাবে হাসপাতাল কিংবা নিজস্ব সেবা স্থানে নিয়ে যাবো। এ সড়ক এবং ব্রিজ টি দিয়ে বাগাদী চৌরাস্তা, ঢালীর ঘাট বাজার হয়ে ব্রাহ্মন সাখুয়া হইয়া – বালিয়া বাজার, চান্দ্রা ইউনিয়ন, লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন,হানার চর ইউনিয়নের হরিনা ফেরীঘাট হয়ে শরীয়তপুর ও যাতায়াতের একমাত্র পথ। আমদের এলাকাবাসীর প্রানের দাবী এই সড়ক এবং ব্রিজটি যেনো মরন ফাঁদ না হয়। চলাচলের রাস্তাটি যেনো সচল থাকে এবং ব্রিজটি ও সংস্করন করতে জেলা প্রশাসক,উপজেলা প্রশাসক ও এলইজিডির সুদৃষ্ট কামনা করেন।

