ঢাকাসোমবার , ১৪ আগস্ট ২০২৩
  1. অভিযোগ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আটক
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. আলোচনা সভা
  8. ইতালি
  9. ইতিহাস
  10. এক্সক্লুসিভ নিউজ
  11. কক্সবাজার
  12. কচুয়া
  13. কবিতা
  14. কিশোরগঞ্জ
  15. কুড়িগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নওগাঁর প্রেমিক-প্রেমিকা গ্যাসবড়ি খেয়ে আত্নহত্যা

প্রতিবেদক
admin
আগস্ট ১৪, ২০২৩ ৯:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নওগাঁর মান্দায় একটি ইউক্যালিপ্টাসের বাগান থেকে আরিফ হোসেন (২২) এবং জনি আক্তার (১৭) নামে প্রেমিক-প্রেমিকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ আগষ্ট) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার ১২ নং কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের তুলশিরামপুর মধ্যপাড়ার জনৈক আব্দুর রহমানের একটি ইউক্যালিপ্টাসের বাগান থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফ হোসেন তুলশিরামপুর গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে এবং জনি আক্তার একই গ্রামের হাফিজুল ইসলামের মেয়ে।স্থানীয়রা জানান, নিহত আরিফ হোসেন ২০১৯ সালে দোয়ানী দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষা দিয়ে পাশ করার পর অদ্যবধি নিজ বাড়িতে কৃষি কাজের সাথে জড়িত ছিলো। অপরদিকে জনি আক্তার ও ওই মাদ্রাসা থেকে এবারে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়।নিহতদের বাড়ি একই এলাকায় হওয়ার কারণে তাদের উভয়ের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো। কিন্তু ছেলের শারিরিক অক্ষমতার বিষয়টি জানার পর মেয়ের পরিবার তাদের প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নিয়ে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার জন্য পাত্র দেখছিলেন। এমতাবস্থায় তারা দু’জনে গতকাল গভীর রাতে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইউক্যালিপ্টাসের বাগানে গ্যাসবড়ি খেয়ে আত্মহত্যা করে। তবে নিহতদের প্রেমের সম্পর্কটি অস্বীকার করেন উভয় পরিবারের লোকজন।মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, আজ সোমবার সকালে তুলশিরামপুর গ্রামের একটি ইউক্যালিপ্টাসের বাগানে তাদের দুজনের লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। এরপর থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের লাশ উদ্ধারের সময় তাদের পাশে পড়া থাকা অবস্থায় গ্যাস ট্যাবলেট, ঘুমের ট্যাবলেট, জন্ম নিবন্ধন কার্ড, পানির বোতল এবং থ্রি-পিস ও অন্যান্য পোশাকসহ একটি ভ্যানিটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাদের উভয়ের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো এবং পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্যাস ট্যাবলেট খাওয়ার জন্য তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
ওসি আরও জানান, লাশ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে তাদের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

Don`t copy text!