পুলিশ জনগণের বন্ধু” জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশ। তারই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এক এক করে মানবিক কাজ করে যাচ্ছেন ফেনীর ছাগলনাইয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহীদুল ইসলাম। তিনি ছাগলনাইয়া থানার যোগদান করার পর পরই আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রন সহ করে যাচ্ছে মানবিক কাজগুলি। স্থান করে নিয়েছে ছাগলনাইয়াবাসীর মণিকোঠায়।
যিনি প্রতিনিয়ত ছাগলনাইয়াবাসীকে শান্তিতে রাখতে মাদক, কিশোর গ্যাং, ইভটেজিং সহ নানান বিষয় যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে। যার ফলে অতীতের অনেক সময় থেকে ছাগলনাইয়াবাসী অনেক শান্তিতে আছে বলে মনে করেন সাধারণ জনগন।
মানবিক কাজ করা যার নেশা তাকে ঠেকানো কারো সাধ্য নেই। বুধবার (২৮ জুলাই) রাতে ছাগলনাইয়া পৌরসভার আওয়াতাধীন পূর্ব ছাগলনাইয়া পিতা কৃর্তক কন্যা নির্যাতনের খবর শুনে ছাগলনাইয়া থানা পুলিশ কন্যাকে উদ্ধার করে। উদ্ধার করে ছাগলনাইয়া থানা নিয়ে আসলে মেয়েটি কান্না করতে থাকে। পরক্ষনে জানা যায় মেয়েটি সারাদিন কিছু না খেয়ে ক্ষুধার্ত রয়েছে। ক্ষুধার যন্ত্রণা সেই মেয়েটি কান্না করতে থাকে।
রাত তখন শেষের দিকে। লকডাউন এর কারনে ছাগলনাইয়া হোটেলগুলি বন্ধ থাকায়, সেখানে রাতে খোলার তো প্রশ্ন উঠে না। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শহীদুল ইসলাম তাঁর সহধর্মিণী কে দিয়ে তাৎক্ষণিক খাবার তৈরি করে নিয়ে আসেন মেয়েটির জন্য।
একটি অসহায় মেয়ের মুখে তখন সুখের হাসি। শত টাকা দিয়েও মানুষের মুখে হাসি ফোটানো যেখানে কষ্ট, সেখানে একটি মেয়ের হাসি কতটুকু আনন্দের তা দেখেছে ঐ রাতে উপস্থিত থাকা ছাগলনাইয়া থানার পুলিশ সদস্যগন।
বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আজকে এখবর ভাইরাল হয়। ওসি শহীদুল ইসলাম এর বাসার খাবার শুধু পরিবার-ই খায় না, এতিম মেহমান খায়” এমন শিরোনামে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে প্রসংশার জোয়ারে ভাসছেন ছাগলনাইয়া থানা ওসি মোঃ শহীদুল ইসলাম।