সাগর চন্দ্র স্বপন, সংযুক্ত আরব আমিরাত:
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ধারাবাহিকতায় নতুন অর্জন যুক্ত হলো রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদের কর্মজীবনে। গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি পাওয়ায় তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ইউনিটি–ইউএই।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ এ পদোন্নতি লাভ করেন। তাঁর এই অর্জনকে কূটনৈতিক অঙ্গনে পেশাগত স্বীকৃতির পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কর্মজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে সংগঠনটি।
অভিনন্দনবার্তায় বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ইউনিটি–ইউএইর নেতারা বলেন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। কূটনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে তাঁর উদ্যোগ দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।
তাঁরা উল্লেখ করেন, আল আইন, দুবাই ও শারজাহসহ আমিরাতের বিভিন্ন অঞ্চলের চেম্বার অব কমার্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ ও বৈঠকের মাধ্যমে ব্যবসায়িক সহযোগিতা সম্প্রসারণের যে প্রচেষ্টা চলছে, তা ভবিষ্যতে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
সংগঠনের নেতারা আরও বলেন, প্রবাসীদের নানা সমস্যা, অধিকার সংরক্ষণ এবং কল্যাণমূলক উদ্যোগে দূতাবাসের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রত্যাশা পূরণ, তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ-ইউএই সম্পর্ককে জনবান্ধব ও অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী করতে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদের নেতৃত্ব ভবিষ্যতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদী।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, একজন কূটনীতিকের সাফল্য শুধু তাঁর ব্যক্তিগত কর্মজীবনের অর্জনে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং তা দেশের ভাবমূর্তি, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং জাতীয় স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদের এ পদোন্নতি তাঁকে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর দায়িত্ব পালনে অনুপ্রাণিত করবে বলে তাঁরা প্রত্যাশা করেন।
অভিনন্দনবার্তার শেষাংশে বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ইউনিটি–ইউএইর নেতারা রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পেশাগত জীবনের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন। একই সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ এবং বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও উচ্চতায় পৌঁছাতে তাঁর আগামী দিনের কার্যক্রমের সফলতা প্রত্যাশা করেন।